আলুর দাম না পাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়ে নতুন পথ খুঁজছেন কৃষকেরা। সেই পথেই ভরসা হয়ে উঠছে Taro বা কচু চাষ। বিশেষ করে বীরভূমে পতিত ও ভেজা জমিতে এই চাষ করে অনেকেই লাভের মুখ দেখছেন।
আলু থেকে কচুতে ঝোঁক, বদলাচ্ছে চাষের ধারা
বীরভূমের মতো কৃষিপ্রধান জেলায় এ বছর আলু চাষে আশানুরূপ লাভ হয়নি। ফলে কৃষকেরা বিকল্প হিসেবে কচু চাষে ঝুঁকছেন। সাদা ও কালো কচুর চাহিদা বাজারে থাকায় এটি এখন লাভজনক ফসল হিসেবে উঠে আসছে।
কোন মাটিতে ভালো ফলন হয়
কচু চাষের জন্য দো-আঁশ বা এঁটেল মাটি সবচেয়ে উপযুক্ত। পাশাপাশি জমি হতে হবে স্যাঁতসেঁতে। পতিত জমিতেও সহজে এই চাষ করা যায়, যা কৃষকদের জন্য বাড়তি সুবিধা।
সঠিক সময় ও দূরত্বে চারা রোপণ জরুরি
ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে ঝুরঝুরে মাটিতে চারা রোপণ করতে হয়। সারি থেকে সারি ২৪ ইঞ্চি এবং চারা থেকে চারা ১৮ ইঞ্চি দূরত্ব বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে গাছের বৃদ্ধি ভালো হয়।
সার ও পরিচর্যায় বাড়বে উৎপাদন
জমি তৈরির সময় প্রচুর জৈব সার বা গোবর ব্যবহার করলে ফলন বাড়ে। চারা লাগানোর ২০-২৫ দিন পর ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হয়। পাশাপাশি নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার করাও জরুরি।
কম খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা
এক বিঘা জমিতে প্রায় ২ কুইন্টাল বীজ লাগে। বীজের খরচ তুলনামূলক কম হলেও ফলন ভালো হলে লাভ অনেক বেশি। সঠিকভাবে চাষ করলে বিঘা প্রতি ৬০-৭০ হাজার টাকা পর্যন্ত লাভ হতে পারে।
Taro চাষে ঝুঁকছেন বীরভূমের কৃষকেরা। কম খরচে স্যাঁতসেঁতে জমিতে এই চাষ করে মিলতে পারে বিঘা প্রতি ৬০-৭০ হাজার টাকা লাভ।











