কারও কোলে সন্তান, কারও পিকনিকের উচ্ছ্বাস—নুসরত থেকে পরমব্রত, বনি–কৌশানীর কেমন কাটল বড়দিন?

ঘরোয়া বড়দিন নুসরত ও পরমব্রতের, আবার পিকনিক আর পোষ্যসঙ্গে উৎসব বনি–কৌশানীর। টলিপাড়ার তারকারা কীভাবে কাটালেন ক্রিসমাস, পড়ুন বিস্তারিত।

ঝলমলে আলো, লাল-সবুজের সাজ আর উপহারের উচ্ছ্বাস—বড়দিন মানেই আনন্দের উৎসব। ব্যস্ত শুটিং আর প্রচারের মাঝেও পরিবারকে সময় দিতে ভুললেন না টলিপাড়ার তারকারা। কেউ ঘরোয়া পরিবেশে সন্তানকে নিয়ে কাটালেন দিনটা, কেউ আবার পিকনিক ও পোষ্যের সঙ্গেই উদ্‌যাপন করলেন ক্রিসমাস।

ঘরেই ক্রিসমাস ট্রি, ইশানের সঙ্গে নুসরত

বাড়িতেই ক্রিসমাস ট্রি সাজিয়ে বড়দিন উদ্‌যাপন করলেন নুসরত জাহান। ছেলে ইশানের সঙ্গে লাল পোশাকে ট্রির সামনে বসে একাধিক ছবি শেয়ার করেন অভিনেত্রী। সান্তা টুপি, লাল ব্যান্ড আর কোরিয়ান হার্ট সাইন—সব মিলিয়ে নুসরত–ইশানের ছবিতে ধরা পড়ে নিখাদ পারিবারিক আনন্দ।

ছিমছাম বড়দিন পরমব্রত–পিয়ার

সম্প্রতি ধুমধাম করে অন্নপ্রাশন হয়েছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও পিয়া চক্রবর্তীর পুত্র নিষাদের। এলাহী আয়োজনের পর বড়দিনে কিন্তু তারকা দম্পতি বেছে নিলেন শান্ত, ঘরোয়া উদ্‌যাপন। পরিবারের সঙ্গেই সময় কাটিয়ে উৎসবের আসল অর্থকে গুরুত্ব দিলেন তাঁরা।

দু’ভাগে উৎসব বনি–কৌশানীর

টলিপাড়ার জনপ্রিয় প্রেমিকযুগল বনি সেনগুপ্ত ও কৌশানী মুখোপাধ্যায় বড়দিন কাটালেন দুই রকম মেজাজে। একদিকে ছিল বড়দিনের চেনা পিকনিক, অন্যদিকে পোষ্যকে সঙ্গে নিয়ে লাল পোশাকে আদুরে মুহূর্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই মুহূর্তের ঝলক ভাগ করে নেন তাঁরা।

তারকাদের অন্দরমহলে উৎসবের উষ্ণতা

ব্যস্ততা যতই থাকুক, বড়দিনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোই যে আসল—তা যেন আবারও প্রমাণ করলেন টলিপাড়ার তারকারা। শিশুদের জন্য উপহার, বাড়ির সাজ আর ছোট ছোট মুহূর্তেই পূর্ণতা পেল তাঁদের উৎসব।

শহরজুড়ে বর্ষবরণের মেজাজ

বড়দিন মানেই শুধু একদিনের উৎসব নয়, বর্ষবরণের আনন্দের শুরু। রঙিন আলোয় সেজে উঠেছে কলকাতার অলিগলি। সেই উৎসবের আবহেই তারকারা নিজেদের মতো করে উদ্‌যাপন করলেন বছরের অন্যতম প্রিয় দিনটি।

বড়দিনে টলিপাড়ার অন্দরমহলে ছিল পারিবারিক উষ্ণতা আর উৎসবের আমেজ। কেউ সন্তানকে নিয়ে ঘরোয়া উদ্‌যাপনে মেতেছেন, কেউ আবার পিকনিক ও পোষ্যসঙ্গেই কাটিয়েছেন দিনটা। নুসরত জাহান, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, পিয়া চক্রবর্তী, বনি সেনগুপ্ত ও কৌশানী মুখোপাধ্যায়—সবাই নিজেদের মতো করে সেলিব্রেট করলেন ক্রিসমাস।

Leave a comment