চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর স্বস্তির বদলে নতুন করে ধন্দে পড়লেন অনেকেই। আপডেশনের তারিখে অসঙ্গতি দেখে প্রশ্ন উঠছে— নাম কি সত্যিই চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে? যদিও নির্বাচন কমিশনের আশ্বাস, কেবল ‘লাস্ট আপডেট’ দেখে বিভ্রান্ত হওয়ার প্রয়োজন নেই।
আপডেটের তারিখে ভিন্নতা, বাড়ছে সংশয়
শনিবার প্রকাশিত হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কিন্তু তালিকায় নাম খুঁজতে গিয়ে একাংশ ভোটার দেখছেন, তাঁদের নামের পাশে শেষ আপডেটের তারিখ হিসেবে দেখাচ্ছে গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর। অন্যদিকে, বহু নামের পাশে রয়েছে ২৭ ফেব্রুয়ারি— অর্থাৎ তালিকা প্রকাশের আগের দিন। এই তারিখের পার্থক্য থেকেই শুরু হয়েছে বিভ্রান্তি।
খসড়া তালিকার স্মৃতি উসকে দিচ্ছে দুশ্চিন্তা
১৫ ডিসেম্বর ছিল খসড়া তালিকা প্রকাশের সময়কাল। ফলে যাঁদের নামের পাশে সেই তারিখ রয়েছে, তাঁদের মনে প্রশ্ন— চূড়ান্ত তালিকায় কোনও পরিবর্তন হয়েছে কি? বিশেষত যাঁদের নাম তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে ‘সন্দেহের তালিকায়’ ছিল এবং পরে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের উদ্বেগ আরও বেশি।
ইসিআইনেট অ্যাপেই মিলছে উত্তর
কমিশনের এক কর্তার বক্তব্য, অনলাইন পোর্টাল বা মোবাইল অ্যাপ ‘ইসিআইনেট’-এ নাম সার্চ করলে যদি তা দেখা যায়, তাহলে সেই নাম চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে। যাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় নেই, তাঁদের তথ্য অ্যাপে দৃশ্যমানই হবে না। ফলে আপডেশনের তারিখ বিভ্রান্তিকর হলেও ভোটাধিকার নিয়ে আতঙ্কের কারণ নেই।
সরকারি বিজ্ঞপ্তির দাবিতে ভোটারদের একাংশ
তবে আশ্বাস সত্ত্বেও অনেকেই চাইছেন স্পষ্ট লিখিত বিজ্ঞপ্তি। আপডেশনের তারিখ ভবিষ্যতে পরিবর্তিত হবে কি না বা এই হেরফেরের কোনও প্রশাসনিক ব্যাখ্যা রয়েছে কি না— সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কমিশন বা রাজ্যের সিইও দপ্তরের তরফে পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি।
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর আপডেশনের তারিখ ঘিরে বিভ্রান্তিতে পড়েছেন একাংশ ভোটার। কারও ক্ষেত্রে শেষ আপডেট দেখাচ্ছে ১৫ ডিসেম্বর, আবার কারও ২৭ ফেব্রুয়ারি। তবে Election Commission of India স্পষ্ট জানিয়েছে— অনলাইনে নাম থাকলেই তা চূড়ান্ত তালিকাভুক্ত, আতঙ্কের কারণ নেই।









