Banned on WhatsApp: হোয়াটসঅ্যাপে অ্যাকাউন্ট ব্যানড হওয়াকে এতদিন হালকাভাবে নিলেও এবার তার পরিণতি হতে পারে আরও গুরুতর। সাইবার প্রতারণা রুখতে মোদি সরকার নতুন কৌশল নিচ্ছে বলে খবর। সূত্রের দাবি, একবার হোয়াটসঅ্যাপে নিষিদ্ধ হলে ভবিষ্যতে সেই নম্বর হারাতে পারে একাধিক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অ্যাক্সেস।

প্রতি মাসে কোটি কোটি অ্যাকাউন্ট ব্যান
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র প্রতারণা ও ভুয়ো কার্যকলাপের অভিযোগে প্রতি মাসে প্রায় ১ কোটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যান করা হয়। তবুও সাইবার অপরাধ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসছে না বলেই মত প্রশাসনের।
ব্ল্যাকলিস্টেড নম্বর চাইছে কেন্দ্র
এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যাচ্ছে, কেন্দ্র ইতিমধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষের কাছে ব্ল্যাকলিস্টেড মোবাইল নম্বরের তালিকা চেয়েছে। পরিকল্পনা রয়েছে—এই নম্বরগুলিকে ভবিষ্যতে অন্যান্য ডিজিটাল ও মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম থেকেও সরিয়ে দেওয়ার।

টেলিগ্রাম-সহ অন্য অ্যাপে আশ্রয় প্রতারকদের
সরকারের পর্যবেক্ষণ, হোয়াটসঅ্যাপে ব্যান হওয়ার পর প্রতারকরা একই নম্বর ব্যবহার করে টেলিগ্রাম ও অন্যান্য অ্যাপে নতুন করে জাল বিস্তার করে। ফলে শুধুমাত্র একটি অ্যাপে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে প্রতারণা আটকানো যাচ্ছে না।
কেন মেসেজিং অ্যাপ প্রতারকদের পছন্দ
বিশেষজ্ঞদের মতে, হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মতো অ্যাপে অ্যাকাউন্ট খুলতে আলাদা পরিচয় যাচাই বা নতুন সিম কার্ডের প্রয়োজন হয় না। এই সুযোগই বারবার কাজে লাগায় সাইবার অপরাধীরা।

আরও কড়া ডিজিটাল নজরদারির পথে সরকার
এই পরিস্থিতিতে সরকার মনে করছে, বিদ্যমান ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। তাই একটি নম্বর একাধিক প্ল্যাটফর্মে নিষিদ্ধ করার মতো সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার দিকেই এগোচ্ছে প্রশাসন।

সাইবার প্রতারণা রুখতে আরও কড়া হতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। হোয়াটসঅ্যাপে ব্যান হওয়া নম্বরগুলি এবার অন্যান্য মেসেজিং ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকেও সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে প্রশাসন।









