শসা কাটার আগে মাথা ঘষে নেন কেন? সাদা ফেনার পেছনের বৈজ্ঞানিক কারণ জানলে অবাক হবেন

শসা কাটার আগে মাথা ঘষে নেন কেন? সাদা ফেনার পেছনের বৈজ্ঞানিক কারণ জানলে অবাক হবেন

গরমের দিনে শসা শরীর ঠান্ডা রাখতে অন্যতম জনপ্রিয় খাবার। কিন্তু শসা কাটার আগে অনেকেই একটি অভ্যাস মেনে চলেন—শসার মাথা কেটে সেটি আবার ঘষে নেওয়া। এতে সাদা ফেনার মতো কিছু বের হতে দেখা যায়। অনেকেই মনে করেন এতে শসার তেতোভাব দূর হয়। কিন্তু এই পদ্ধতির পেছনে আসলে কী বিজ্ঞান কাজ করে?

কেন শসার মাথা ঘষে নেওয়া হয়

শসা কাটার সময় অনেকেই লক্ষ্য করেছেন, কাটা অংশ দু’টি একসঙ্গে ঘষলে সাদা ফেনার মতো পদার্থ বের হয়। এটি আসলে শসার ভেতরে থাকা একটি প্রাকৃতিক রাসায়নিক উপাদান।এই অভ্যাস বহুদিন ধরে প্রচলিত একটি ঘরোয়া পদ্ধতি, যা মূলত শসার তেতোভাব কমানোর জন্য করা হয়।

সাদা ফেনার আসল রহস্য

শসা ঘষলে যে সাদা ফেনা বের হয়, সেটিকে বলা হয় কুকুরবিটাসিন (Cucurbitacin)।এটি একটি প্রাকৃতিক যৌগ, যা শসার তেতো স্বাদের জন্য দায়ী। অনেক সময় শসার এক প্রান্তে এই উপাদানের ঘনত্ব বেশি থাকে। ফলে শসা খেতে তেতো লাগতে পারে।

ঘষলে কি সত্যিই কমে তেতোভাব?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শসার মাথা ঘষলে কিছুটা কুকুরবিটাসিন বের হয়ে আসে। এর ফলে তেতোভাব সামান্য কমতে পারে।তবে এই পদ্ধতিতে পুরোপুরি তেতোভাব দূর হয়ে যায়—এমনটা সব সময় হয় না। তবুও বহু মানুষ এই সহজ উপায়টি ব্যবহার করে থাকেন।

গরমে শসা খাওয়া কেন উপকারী

শসার প্রায় ৯৫ শতাংশই জল। তাই গরমের দিনে এটি শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং ডিহাইড্রেশন থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

এছাড়া শসায় ক্যালোরি কম থাকায় অনেকেই ডায়েটের খাদ্যতালিকায় এটি রাখেন।

শসা কাটার আগে অনেকেই এর মাথা ঘষে নেন এবং তখন সাদা ফেনার মতো পদার্থ বের হতে দেখা যায়। অনেকের ধারণা এতে শসার তেতোভাব কমে যায়। আসলে এর পেছনে রয়েছে একটি বৈজ্ঞানিক কারণ—কুকুরবিটাসিন নামের একটি প্রাকৃতিক উপাদান।

Leave a comment