শুক্রবার সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে বাংলাদেশের নরসিংদি জেলার ভূগর্ভে ১০ কিলোমিটার গভীরে ৫.৭ কম্পাঙ্কের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ঢাকা ও কলকাতা। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ছ’জন নিহত হয়েছেন, আহত প্রায় ২০০ জন। ভূবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই অঞ্চলের তিনটি প্লেট (‘ইন্ডিয়ান’, ‘ইউরেশিয়ান’, ‘বার্মা’) এবং তিনটি সক্রিয় ফল্ট লাইন একত্রিত হয়ে ‘টেকটনিক টাইম বোমা’ তৈরি করেছে। অগভীর ভূমিকম্প হওয়ায় কম্পনের প্রভাব ভূপৃষ্ঠ পর্যন্ত ভয়াবহভাবে পৌঁছেছে।

কম্পনের তথ্য
রিখটার স্কেল অনুযায়ী ভূমিকম্পের মাত্রা ৫.৭।
ইউএস জিওলজিক্যাল সেন্টারের রিপোর্টে কম্পাঙ্ক ৫.৫।
কম্পনের উৎস বাংলাদেশে নরসিংদি জেলার ঘোড়াশাল।
প্রভাব কলকাতা, সল্টলেক, নিউটাউনসহ সংলগ্ন জেলায় অনুভূত।
মৃত ও আহত
বাংলাদেশে দুই শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত।
আহত প্রায় ২০০ জন।
পূর্ববর্তী পাঁচ দিনে মিয়ানমার থেকে ভূটান পর্যন্ত অন্তত সাতটি ছোট কম্পন।
ভূ-তাত্ত্বিক কারণ
তিনটি টেকটনিক প্লেটের (ইন্ডিয়ান, ইউরেশিয়ান, বার্মা) চলাচল।
তিনটি সক্রিয় ফল্ট লাইন: বগুড়া, ত্রিপুরা, ডাউকি।
অগভীর ভূমিকম্প (১০ কিমি গভীরে) বেশি বিপজ্জনক।

কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের ঝুঁকি
কলকাতা জ়োন–থ্রি তে, কিন্তু নরম পলিমাটির কারণে ঝুঁকি রয়েছে।
উত্তর–পূর্ব ভারত জ়োন–ফাইভ, সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প–প্রবণ এলাকা।
বিশেষ সতর্কতা ও ভবিষ্যতের প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ।

শুক্রবার সকালে বাংলাদেশের নরসিংদিতে ৫.৭ কম্পাঙ্কের ভূমিকম্পের ধাক্কায় কেঁপে উঠল ঢাকা ও কলকাতা। বাংলাদেশে দুই শিশুসহ অন্তত ১০ জন নিহত, আহত প্রায় ২০০। ভূবিজ্ঞানীরা উত্তর–পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশের ভূ-তাত্ত্বিক অবস্থাকে ‘টেকটনিক টাইম বোমা’ বলে অভিহিত করেছেন।










