সোমবার ভোরে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী লেবাননের রাজধানী বৈরুতে নতুন করে একাধিক বিমান হামলা চালানোর পর পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এর আগে ইরান-সমর্থিত সংগঠন হিজবুল্লাহ সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলের দিকে ডজনখানেক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দায় স্বীকার করে।
হিজবুল্লাহর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইর হত্যাকাণ্ড এবং ইসরায়েলের বারবার আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের জবাবে এই হামলা করা হয়েছে।
হিজবুল্লাহর মতে, এটি প্রতিশোধের সূচনা। সংগঠনটি ইঙ্গিত দেয় যে হামলা অব্যাহত থাকলে তাদের প্রতিক্রিয়াও চলতে থাকবে।
ইসরায়েলের পাল্টা হামলা
ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরপরই ইসরায়েল বৈরুতের একাধিক স্থানে বিমান হামলা চালায়। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করে, সীমান্ত পেরিয়ে আসা একটি ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং আরও কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র খোলা এলাকায় পড়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
৫০টি গ্রাম খালি করার সতর্কতা
ইসরায়েল লেবাননের প্রায় ৫০টি গ্রামের বাসিন্দাদের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। সতর্কবার্তায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকতে পারে।
সীমান্তের উভয় পাশে সামরিক তৎপরতা বেড়েছে।
এক বছরের বেশি সময় পর দায় স্বীকার
এক বছরের বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম হিজবুল্লাহ আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলার দায় স্বীকার করেছে। সংগঠনটি প্রকাশ্যে হামলার ঘোষণা দেওয়ায় পরিস্থিতি নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে।
পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আশঙ্কা
মধ্যপ্রাচ্য আগে থেকেই একাধিক ফ্রন্টে অস্থির রয়েছে। ইরান, ইসরায়েল এবং তাদের সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। বৈরুতে বিমান হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। উভয় পক্ষের সামরিক পদক্ষেপ চলতে থাকলে সংঘাত পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে।









