Bankura Sweets Price Hike: রসগোল্লা বা সন্দেশ ছাড়া বাঙালির উৎসব-অনুষ্ঠান যেন অসম্পূর্ণ। কিন্তু সেই মিষ্টির স্বাদ এবার কিছুটা হলেও তেতো হয়ে উঠল বাঁকুড়াবাসীর কাছে। কাঁচামাল ও পরিবহণ খরচ লাগাতার বেড়ে যাওয়ায় বাঁকুড়া শহরে একধাক্কায় মিষ্টির দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খরচে নতুন করে চাপ পড়ছে।
কেন বাড়ল মিষ্টির দাম?
বাঁকুড়া মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুধ, চিনি, ঘি, তেল, ময়দা ও বেসনের দাম গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহণ ও উৎপাদন খরচও বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পুরনো দামে মিষ্টি বিক্রি করা ব্যবসায়ীদের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছিল না।
কবে থেকে কার্যকর নতুন দাম?
সমিতির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ১৪ই মাঘ, অর্থাৎ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে বাঁকুড়া শহরের অধিকাংশ মিষ্টির দোকানে নতুন দর কার্যকর হয়েছে।
পিস পিছু মিষ্টির নতুন দাম কত?
নতুন নোটিস অনুযায়ী—
রসগোল্লা, পান্তুয়া, চমচম, দানাদার: ৭ টাকা থেকে শুরু
সন্দেশ: ১০ টাকা প্রতি পিস
রসমালাই ও মালাইচপ: ১২ টাকা প্রতি পিস
ক্ষীরকদম: ১০ টাকা
মজা: ৬–১০ টাকা
ফলে অতিথি আপ্যায়ন বা পারিবারিক অনুষ্ঠানে মিষ্টির খরচ যে আগের তুলনায় বেশ খানিকটা বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।
কিলো দরের মিষ্টিতেও বড় বৃদ্ধি
শুধু পিস নয়, কিলো দরে বিক্রি হওয়া মিষ্টির দামও বেড়েছে।
চিঁড়েভাজা, বোঁদে, নিকৃতি, মিহিদানা, সীতাভোগ, মতিচুর, লাল দই ও ছানার পায়েসের মতো জনপ্রিয় মিষ্টির দাম এখন কিলো প্রতি ১৪০ টাকা থেকে ২৭০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।
ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া
একদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ—নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম এমনিতেই বাড়ছে, তার উপর মিষ্টির মূল্যবৃদ্ধি মধ্যবিত্তের পক্ষে চিন্তার। অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের দাবি, লোকসান সামলাতে গিয়েই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
কাঁচামাল ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জেরে বাঁকুড়া শহরে রসগোল্লা, সন্দেশ, রসমালাইসহ প্রায় সব ধরনের মিষ্টির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে নতুন দর কার্যকর হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের খরচ বেড়েছে।













