দ্বিতীয় দফার West Bengal Assembly Elections 2026-এ ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্র যেন রাজনৈতিক সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে। বুথে বুথে উত্তেজনা, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং তার মধ্যেই আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকির কড়া হুঁশিয়ারি পরিস্থিতিকে আরও তপ্ত করে তুলেছে।
![]()
‘বুথে বাধার অভিযোগ’, উত্তেজনা ছড়াল শাইহাটিতে
ভাঙড়ের শাইহাটি এলাকায় ২৫৮ ও ২৫৯ নম্বর বুথে ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ, সকাল থেকেই একাংশ ভোটারকে বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়।
‘নওশাদের হুঁশিয়ারি’, নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন Naushad Siddiqui। ক্ষুব্ধ ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে তিনি অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে বিরোধী সমর্থকদের ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তিনি নির্বাচন কমিশনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
![]()
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন’, কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়েও ক্ষোভ
নওশাদের প্রশ্ন—কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও কেন সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারছেন না? প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও তিনি সরব হন, যা রাজনৈতিক বিতর্ক আরও উসকে দিয়েছে।
‘পাল্টা জবাব তৃণমূলের’, অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার
অন্যদিকে, All India Trinamool Congress এই অভিযোগ সম্পূর্ণ খারিজ করেছে। তাদের দাবি, বিরোধীরা ভোটে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কায় মিথ্যা অভিযোগ তুলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে।
![]()
নিরাপত্তা জোরদার’, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন
ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং কোথাও কোনও অনিয়ম প্রমাণিত হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
![]()
Bhangar-এ ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। আইএসএফ নেতা নওশাদ সিদ্দিকিকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভোটে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এবং পাল্টা অস্বীকার—সব মিলিয়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।











