বিহারের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পূর্ব চম্পারণ জেলার মোতিহারিতে ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি চলছে। যোগ্য ভোটারদের তালিকায় নতুন নাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং বিদ্যমান তথ্যের ভুল সংশোধনের জন্য চারটি সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণি (EBC)-এর সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়গুলির কারণে নির্বাচন ২০২৭ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিহারে পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। আগে ২০২৬ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা জানানো হয়েছিল। তবে অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণি (EBC)-এর সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়গুলির কারণে নির্বাচন ২০২৭ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে মুখিয়া, ওয়ার্ড সদস্য, পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের প্রতিনিধিদের নির্বাচন করা হয়। এই নির্বাচনে ভোটার তালিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম সরকারি ভোটার তালিকায় নথিভুক্ত থাকা আবশ্যক।
এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধনের ওপর প্রশাসন গুরুত্ব দিচ্ছে, যাতে যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ পড়া এবং ব্যক্তিগত তথ্যের ভুলের সমস্যা কমানো যায়। তবে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পরই নিশ্চিত হবে।
![]()
পূর্ব চম্পারণ জেলার মোতিহারিতে ভোটার তালিকা পুনর্বিবেচনা ও সংশোধনের জন্য বিশেষ অভিযান শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এই অভিযানের আওতায় যোগ্য নাগরিকদের ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা এবং নথিভুক্ত তথ্য সংশোধনের জন্য চারটি সুযোগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
এই প্রক্রিয়ায় ভোটাররা নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণ করে নিজেদের নাম, ঠিকানা এবং অন্যান্য বিবরণে থাকা ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকাকে আরও নির্ভুল করে তোলাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য।
গ্রামীণ এলাকার নাগরিকদের আবেদন জমা দেওয়ার তারিখ এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সম্পর্কে স্থানীয় নির্বাচন দফতর বা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে শেষ মুহূর্তে সম্ভাব্য সমস্যার আশঙ্কা কমানো যেতে পারে।
পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য শুধু ভোটার পরিচয়পত্র থাকা যথেষ্ট নয়। সংশ্লিষ্ট সরকারি ভোটার তালিকায় ভোটারের নাম নথিভুক্ত থাকাও বাধ্যতামূলক। তাই নাগরিকদের সময় থাকতে যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন যে তাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে কি না।
ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে অথবা ব্যক্তিগত বিবরণে কোনও ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত পদ্ধতি অনুযায়ী সংশোধনের আবেদন করা যাবে। নতুন ভোটারদেরও নিজেদের যোগ্যতা অনুযায়ী নাম নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
সময়মতো ভোটার তালিকা সংশোধন করা হলে নির্বাচনের সময় নাম সংক্রান্ত সমস্যার সম্ভাবনা কমতে পারে। বর্তমানে মোতিহারিতে প্রস্তাবিত অভিযানের নির্দিষ্ট তারিখ এবং বিহার পঞ্চায়েত নির্বাচনের চূড়ান্ত সময়সূচি সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা রয়েছে।










