বিহার দিবস উপলক্ষে লখিসরাই জেলায় একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, উন্নয়ন এবং সামাজিক অবদান তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হিসেবে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে চানন প্রखंडের মুখিয়াকে তাঁর উৎকৃষ্ট কাজ এবং সমাজের প্রতি অবদানের জন্য সম্মানিত করা হয়। স্থানীয় স্তরে সম্পন্ন উন্নয়নমূলক কাজ, জনসেবা এবং পঞ্চায়েত পর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যপ্রণালীর ভিত্তিতে এই সম্মান প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিতরা করতালির মাধ্যমে সম্মানিত ব্যক্তিকে অভ্যর্থনা জানান।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্কুল ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে, যেখানে বিহারের লোকসংস্কৃতি, নৃত্য ও সঙ্গীতের উপস্থাপনা দেখা যায়। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত শিক্ষার্থীরা মঞ্চে পরিবেশনা করে।
জেলা প্রশাসক তাঁর বক্তব্যে বিহার দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এই দিনটি রাজ্যের ইতিহাস এবং ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনার স্মারক। তিনি বলেন, বিহার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তুলেছে এবং উন্নয়নের পথে অগ্রসর হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, পঞ্চায়েত স্তরে কর্মরত জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের দায়িত্বশীলভাবে কাজ করলে গ্রামীণ উন্নয়নে প্রভাব পড়তে পারে। চানন প্রखंडের মুখিয়াকে সম্মানিত করা এই দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের স্টল স্থাপন করা হয়, যেখানে সরকারি প্রকল্প ও অর্জন সম্পর্কে তথ্য প্রদান করা হয়। দর্শনার্থীরা এসব স্টলে গিয়ে প্রকল্প সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে এবং সুবিধা গ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারেন।
অনুষ্ঠানজুড়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। উপস্থিতরা বিহার দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং রাজ্যের উন্নয়নে অবদান রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
এই আয়োজনটি একটি উদযাপনের পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তন ও অনুপ্রেরণার বার্তাও তুলে ধরে। লখিসরাইয়ে আয়োজিত এই বিহার দিবস অনুষ্ঠান অংশগ্রহণকারীদের জন্য একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।











