ইউনেস্কো স্বীকৃত শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য ঘিরে পর্যটকদের আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহেই হেরিটেজ ওয়াকের টিকিট নিয়ে ওঠা কালোবাজারির অভিযোগ ঘিরে সরব বিশ্বভারতী। স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার ডিজিটাল ব্যবস্থার পথে হাঁটছে কর্তৃপক্ষ।
ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহ্য, বাড়ছে পর্যটকের ভিড়
বছরখানেক আগে ইউনেস্কোর তরফে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ তকমা পায় Santiniketan। কবিগুরু Rabindranath Tagore-এর প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষা-আশ্রমের একাধিক ঐতিহাসিক স্থাপত্য এখন আন্তর্জাতিক পর্যটকদেরও আকর্ষণের কেন্দ্র। সেই সমস্ত দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখানোর উদ্দেশ্যেই চালু হয় হেরিটেজ ওয়াক।
কালোবাজারির অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’, দাবি কর্তৃপক্ষের
সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন পর্যটক টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ তুলেছিলেন। এমনকি কিছু কর্মী ই-মেলের মাধ্যমে দেশের প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-র কাছেও অভিযোগ জানান। তবে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রথম দিন থেকেই শুধুমাত্র রবীন্দ্র ভবনের নির্দিষ্ট কাউন্টার থেকেই টিকিট দেওয়া হয়, কোনও এজেন্সি বা তৃতীয় পক্ষ জড়িত নয়।
অনলাইনে টিকিট, কমবে লাইনের ঝক্কি
পর্যটকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই অনলাইনে টিকিট বুকিং চালুর ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সমস্যা কমবে। ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হলে স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলেই দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।
বাড়তে পারে হেরিটেজ ওয়াকের দিন
চাহিদা বাড়ার কারণে ভবিষ্যতে হেরিটেজ ওয়াকের দিনসংখ্যা বাড়ানোর সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশ্বভারতীর দাবি, জনপ্রিয়তা বাড়তেই কিছু মহল ইচ্ছাকৃতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠান তার ঐতিহ্য ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর।
Visva-Bharati University কর্তৃপক্ষ হেরিটেজ ওয়াকের টিকিট কালোবাজারির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। পর্যটকদের সুবিধার্থে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই অনলাইনে টিকিট বুকিং চালুর ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি বাড়তে পারে হেরিটেজ ওয়াকের দিনসংখ্যাও।












