BJP নির্বাচন কৌশল: পাঁচ বছর আগে নির্বাচনের ভুলের পুনরাবৃত্তি এড়াতে বিজেপি দিল্লি নেতৃত্বকে বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দিয়েছে। প্রার্থী নির্বাচন, প্রচার অভিযান এবং সমস্ত কৌশল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে। রাজ্য নেতাদের ভূমিকা সীমিত থাকবে, শুধুমাত্র মতামত দেওয়ার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং অন্যান্য স্থানীয় নেতারা কেন্দ্রীয় দলের নির্দেশে নির্বাচনী প্রস্তুতিতে সহযোগিতা করবেন।

দিল্লির তত্ত্বাবধানে সমস্ত ক্ষমতা
বঙ্গ বিজেপি নির্বাচন কৌশল: রাজ্য নেতৃত্বের ক্ষমতা সীমিত করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রার্থী নির্বাচন এবং প্রচারের সমস্ত দিক নিয়ন্ত্রণ করবে। রাজ্য নেতারা শুধু পরামর্শ দেবেন এবং স্থানীয় তথ্য সরবরাহ করবেন।২০২১ সালের নির্বাচনের ফলাফলের অভিজ্ঞতা থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছে যে রাজ্য নেতাদের মতামত গুরুত্ব সহকারে বিবেচিত হবে।
২০২১-এর নির্বাচনের পাঠ
২০২১ সালের ভোটে টলিউড তারকা ও অজ্ঞাত প্রার্থীদের টিকিট দেওয়া হয়েছিল, যাদের মধ্যে অধিকাংশ হেরে গিয়েছিল। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মানে, শুধুমাত্র স্থানীয় নেতাদের ওপর নির্ভর করা যথেষ্ট নয়।এইবার স্থানীয় সমর্থন এবং শক্তিশালী নির্বাচনী ভূমি থাকা প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এর ফলে নির্বাচনী ফলাফলের সম্ভাবনা বাড়বে।

প্রচার কৌশল ও সংস্থান ব্যবস্থাপনা
কেন্দ্র এখন সমস্ত প্রচার কৌশল নির্ধারণ করবে। রাজ্য নেতা শমীক ভট্টাচার্য কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে সংযোগ রক্ষা করবেন এবং স্থানীয় মিডিয়া ও ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন।কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রচারে স্থানীয় ও রাজ্যস্তরের সমস্যাগুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এটি নির্বাচনী প্রচারকে আরও কার্যকরী ও লক্ষ্যভিত্তিক করবে।
ভবিষ্যতের প্রভাব
রাজ্য নেতৃত্বের ক্ষমতা সীমিত হলেও, এই পদক্ষেপ নির্বাচনী প্রস্তুতিকে কেন্দ্রীভূত ও সংগঠিত করবে। ভোটের মাঠে এটি কার্যকর হলে বিজেপির সম্ভাব্য জয় নিশ্চিত করা সহজ হবে।কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব আশা করছে যে এই ব্যবস্থা ভোটের ফলাফলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। ভোটের আগে এবং প্রচার চলাকালীন এটি দলের সংগঠন ও কৌশলকে শক্তিশালী করবে।

BJP নির্বাচন কৌশল: আগামী বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের ক্ষমতা সীমিত করা হয়েছে। প্রার্থী নির্বাচন, প্রচার কৌশল এবং প্রচারের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হাতে থাকবে। রাজ্য নেতা শুধুমাত্র মতামত দিতে পারবেন। এই সিদ্ধান্ত ২০২১-এর নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া হয়েছে।










