রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এবার নৈহাটির বিখ্যাত বড়মা কালী মন্দিরকে ঘিরে সামনে এল বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত। বহুদিনের বিতর্কিত ‘ভিআইপি দর্শন’ প্রথা বন্ধের কথা ঘোষণা করলেন নৈহাটির বিজেপি বিধায়ক Sumitra Chattopadhyay। তাঁর বক্তব্য, মন্দিরে আর কোনও বিশেষ সুবিধা নয়, সাধারণ ভক্তদের মতো সকলকেই লাইনে দাঁড়িয়ে পুজো দিতে হবে।
![]()
বড়মা মন্দিরে বদলের ইঙ্গিত
Boro Maa Kali Temple দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর ২৪ পরগনার অন্যতম জনপ্রিয় ধর্মীয় কেন্দ্র। প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে পুজো দিতে আসেন। কিন্তু গত কয়েক বছরে মন্দিরে ‘ভিআইপি সংস্কৃতি’ নিয়ে একাধিকবার বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল, সাধারণ ভক্তরা দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলেও প্রভাবশালী ব্যক্তি বা সেলিব্রিটিরা বিশেষ সুবিধা পেতেন।
নতুন কমিটি গঠনের পরিকল্পনা
বিধায়ক জানিয়েছেন, খুব দ্রুত মন্দির পরিচালনার জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হবে। সেখানে সাধারণ মানুষের সুবিধাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আলাদা লাইন, কিন্তু বিশেষ সুবিধা নয়
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সাধারণ দর্শনার্থী এবং পুজো দিতে আসা ভক্তদের জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা হতে পারে। তবে কোনও সেলিব্রিটি বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তির জন্য আলাদা প্রবেশ বা বিশেষ সুবিধা থাকবে না বলেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন বিধায়ক।
![]()
ক্ষোভ থেকেই নতুন সিদ্ধান্ত?
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, বহুদিন ধরেই মন্দিরে ভিআইপি সংস্কৃতি নিয়ে অসন্তোষ ছিল। সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই নিয়ে বারবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ভক্তরা। তাই নতুন সিদ্ধান্তের খবরে অনেকেই স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। অনেকের বক্তব্য, “এবার সত্যিই সাধারণ মানুষের কথা ভাবা হচ্ছে।”
বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে পরিকল্পনা?
যদিও ঘোষণার পরেও প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে— বাস্তবে এই নিয়ম কতটা কার্যকর করা সম্ভব হবে। অতীতেও একাধিক প্রতিশ্রুতি মিললেও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। তবু নতুন ঘোষণায় আশার আলো দেখছেন বহু ভক্ত।
![]()
নৈহাটির প্রাচীন বড়মা কালী মন্দিরে এবার বদলের হাওয়া। বহুদিনের বিতর্কিত ‘ভিআইপি দর্শন’ প্রথা বন্ধের ইঙ্গিত দিলেন বিজেপি বিধায়ক সুমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, নতুন মন্দির কমিটিতে সাধারণ ভক্তদের সুবিধাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। সকলের জন্য সমান নিয়ম চালুর সম্ভাবনায় খুশি ও আশাবাদী স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভক্তরা।











