Buxa Tiger Reserve: অসমে পাড়ি দিয়েছিল বক্সার বাঘিনী লক্ষ্মী! ৩-৪ ঘণ্টার অভিযানের পর ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশনে উদ্ধার, ফিরল বাংলার জঙ্গলে

অসমের জঙ্গলে চলে গিয়েছিল বক্সার বাঘিনী লক্ষ্মী। বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁয়ের উদ্যোগে ৩-৪ ঘণ্টার অভিযানের পর ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশনে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনা হল বাংলায়। Saturn

ডুয়ার্সের জঙ্গলে ফিরল বক্সার লক্ষ্মী! বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে নতুন করে বসতি গড়ার আগেই সীমানা পেরিয়ে অসমের বনাঞ্চলে চলে গিয়েছিল বাঘিনীটি। তাকে নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় পড়েছিলেন বনকর্মীরা। অবশেষে রাজ্য বন দফতরের তৎপরতা এবং অসমের আধিকারিকদের সহযোগিতায় উদ্ধার করা সম্ভব হল তাকে। দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার অভিযান শেষে ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশন দিয়ে বাঘিনীটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয় বক্সার জঙ্গলে।

Buxa Tiger Reserve: অসমে পাড়ি দিয়েছিল বক্সার বাঘিনী লক্ষ্মী! ৩-৪ ঘণ্টার অভিযানের পর ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশনে উদ্ধার, ফিরল বাংলার জঙ্গলেবিহার থেকে আনা হয়েছিল বক্সায়, তারপরই অসমে পাড়ি

বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে বাঘের সংখ্যা বাড়ানো এবং বনাঞ্চলের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে সম্প্রতি বিহার থেকে একটি বাঘিনীকে নিয়ে আসা হয়েছিল। বক্সার জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়ার পর থেকেই বনকর্মীরা তার গতিবিধির উপর নজর রাখছিলেন।কিন্তু কয়েক দিন আগে নজরদারি দলের সদস্যরা লক্ষ্য করেন, নিজের নির্দিষ্ট এলাকা ছেড়ে বাঘিনীটি অসমের বনাঞ্চলের দিকে চলে গিয়েছে। সেখানে একটি শুয়োর ও একটি হরিণ শিকারও করে সে। এরপরই তার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে বন দফতরের।

বাঘিনীকে ফেরাতে উদ্যোগী বনমন্ত্রী

বক্সার এই বাঘিনীকে স্থানীয়ভাবে অনেকে ভালোবেসে লক্ষ্মী বা রানী বলে ডাকেন। তাকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে উদ্যোগী হন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ। তিনি অসমের বন দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। দুই রাজ্যের বন দফতরের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।

Buxa Tiger Reserve: অসমে পাড়ি দিয়েছিল বক্সার বাঘিনী লক্ষ্মী! ৩-৪ ঘণ্টার অভিযানের পর ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশনে উদ্ধার, ফিরল বাংলার জঙ্গলেতিনটি কুনকি হাতি দিয়েও সহজে বাগে আনা যায়নি

বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁ জানিয়েছেন, বাঘিনীটি বেশ চতুর এবং তাকে নিয়ন্ত্রণে আনা সহজ ছিল না। প্রায় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা ধরে চেষ্টা চালানো হয়। তিনটি কুনকি হাতির সাহায্য নিয়েও প্রথমে তাকে বাগে আনা সম্ভব হচ্ছিল না।শেষ পর্যন্ত সন্ধ্যা নামার পর ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশন প্রয়োগ করে বাঘিনীটিকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর নিরাপদে তাকে উদ্ধার করে বক্সার জঙ্গলে ফিরিয়ে নিয়ে আসা সম্ভব হয়।

নতুন পরিবেশে মানিয়ে নিতে সময় লাগতে পারে

বন দফতরের মতে, এক বনাঞ্চল থেকে অন্য পরিবেশে নিয়ে যাওয়া হলে বন্যপ্রাণীদের নতুন এলাকার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। নিজের টেরিটরি তৈরি করা, উপযুক্ত সঙ্গী খোঁজা কিংবা নিরাপদ বনপথের সন্ধানে বাঘিনী অনেকটা পথ পাড়ি দিতে পারে।লক্ষ্মীর ক্ষেত্রেও নতুন এলাকা খোঁজা অথবা সঙ্গীর সন্ধানে এই যাত্রা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তার অসমে চলে যাওয়ার নির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত নয়।

Buxa Tiger Reserve: অসমে পাড়ি দিয়েছিল বক্সার বাঘিনী লক্ষ্মী! ৩-৪ ঘণ্টার অভিযানের পর ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশনে উদ্ধার, ফিরল বাংলার জঙ্গলেআপাতত স্থিতিশীল বাঘিনীর শারীরিক অবস্থা

দীর্ঘ অভিযানের পর বাঘিনীটিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা বন দফতরের কাছে বড় স্বস্তির খবর। বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আগামী দিনে বক্সার পরিবেশে সে কতটা মানিয়ে নিতে পারে, সেদিকেই নজর রাখবেন বনকর্মীরা।

Buxa Tiger Reserve: অসমে পাড়ি দিয়েছিল বক্সার বাঘিনী লক্ষ্মী! ৩-৪ ঘণ্টার অভিযানের পর ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশনে উদ্ধার, ফিরল বাংলার জঙ্গলেবক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে পুনর্বাসনের জন্য বিহার থেকে নিয়ে আসা বাঘিনী লক্ষ্মী কিছুদিন আগে অসমের জঙ্গলে ঢুকে পড়েছিল। তার গতিবিধি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয় বন দফতরে। শেষ পর্যন্ত দুই রাজ্যের বন দফতরের সমন্বয়ে বিশেষ অভিযান চালিয়ে বাঘিনীটিকে উদ্ধার করা হয়। বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাওঁয়ের উদ্যোগে প্রায় ৩-৪ ঘণ্টার চেষ্টার পর ঘুমপাড়ানি ইঞ্জেকশন দিয়ে তাকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে বাঘিনীটির শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে।

Leave a comment