মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে পরীক্ষা বাতিল হওয়ার প্রেক্ষিতে CBSE ১০ম ও ১২শ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু করেছে, যার লক্ষ্য শিক্ষাবর্ষের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং সময়মতো ফল প্রকাশ নিশ্চিত করা।
CBSE বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের জন্য এই হাইব্রিড মূল্যায়ন ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে। যেসব বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলির প্রাপ্ত নম্বর সরাসরি চূড়ান্ত ফলাফলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, এবং যেসব বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি, সেগুলির নম্বর নির্ধারণ করা হবে স্কুলের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন এবং সেরা বিষয়গুলির গড়ের ভিত্তিতে।
এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের সেরা পারফর্ম করা বিষয়গুলির গড়ের ওপর ভিত্তি করে নম্বর নির্ধারণ করা হবে। যেসব বিষয়ে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে, সেগুলির প্রকৃত নম্বর অপরিবর্তিতভাবে যুক্ত থাকবে।
অন্যদিকে, যেসব বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি, সেগুলির নম্বর নির্ধারণ করা হবে স্কুল পরিচালিত পরীক্ষা, প্র্যাকটিক্যাল এবং ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্টের ভিত্তিতে।

এই ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের নম্বর তিনটি পৃথক পরিস্থিতির ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে। কোনো শিক্ষার্থী যদি চারটি পরীক্ষা দিয়ে থাকে, তবে বাকি বিষয়গুলির নম্বর নির্ধারণ করা হবে তার সেরা তিনটি বিষয়ের গড় থেকে।
যদি কোনো শিক্ষার্থী তিনটি পরীক্ষা দিয়ে থাকে, তাহলে বাকি বিষয়গুলির জন্য সেরা দুইটি বিষয়ের গড় প্রযোজ্য হবে। আর যদি কোনো শিক্ষার্থী মাত্র দুটি পরীক্ষা দিয়ে থাকে, তাহলে ওই দুটি বিষয়ের গড় নম্বরই চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে গণ্য হবে। এর পাশাপাশি ইন্টারনাল অ্যাসেসমেন্ট, প্রকল্প এবং প্রি-বোর্ড পরীক্ষার নম্বরও মোট মূল্যায়নে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
CBSE সকল সংশ্লিষ্ট স্কুলকে নির্দেশ দিয়েছে যে তারা ৬ এপ্রিল থেকে ১৩ এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে শিক্ষার্থীদের নম্বর বোর্ডের পোর্টালে আপলোড করবে। একবার তথ্য জমা দেওয়ার পর তাতে কোনো পরিবর্তন করা যাবে না।
তবে, যারা প্রাপ্ত নম্বরে সন্তুষ্ট নয়, তাদের জন্য মে-জুন ২০২৬-এ অনুষ্ঠিত হওয়া ইমপ্রুভমেন্ট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে, যেখানে তারা তাদের ফল উন্নত করার সুযোগ পাবে।









