Chicken Cooking Tips: চিকেন রান্নার আগে-পরে এই ভুলগুলি করলেই সর্বনাশ! মুরগির মাংস হয়ে উঠতে পারে ‘বিষাক্ত’

Chicken Cooking Tips: চিকেন রান্নার আগে-পরে এই ভুলগুলি করলেই সর্বনাশ! মুরগির মাংস হয়ে উঠতে পারে ‘বিষাক্ত’

মুরগির মাংস বাঙালির পছন্দের তালিকায় প্রথম সারিতেই থাকে। কিন্তু জানেন কি, রান্নার আগে বা পরে কয়েকটি সাধারণ ভুল আপনার প্রিয় খাবারকেই ‘বিষাক্ত’ করে তুলতে পারে? বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকেন রান্নার ক্ষেত্রে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সঠিক তাপমাত্রা বজায় না রাখলে শরীরে ঢুকে পড়তে পারে ভয়ঙ্কর ব্যাকটেরিয়া।

রান্নার আগে জল দিয়ে মুরগি ধোয়া

অনেকেই মনে করেন, কাঁচা মুরগি জল দিয়ে ধুলেই তা পরিষ্কার হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবে এই অভ্যাস অত্যন্ত বিপজ্জনক। জল দিয়ে ধোয়ার সময় সালমোনেলা বা ক্যাম্পাইলোব্যাকটারের মতো ব্যাকটেরিয়া ছিটকে সিঙ্ক, কাউন্টার, ছুরি ও বাসনে ছড়িয়ে পড়ে। এতে পুরো রান্নাঘরই সংক্রমিত হয়ে উঠতে পারে।

একই জায়গায় কাঁচা চিকেন ও অন্য খাবার রাখা

কাঁচা মুরগির সংস্পর্শে এলে শাকসবজি, ফল বা অন্যান্য খাবারও দূষিত হয়ে যেতে পারে। একে বলে ক্রস কনটামিনেশন। এর ফলে অজান্তেই শরীরে ঢুকে পড়ে ক্ষতিকর জীবাণু।

অর্ধসিদ্ধ মুরগি খাওয়া

অনেক সময় বাইরে থেকে মাংস সেদ্ধ মনে হলেও ভেতরে কাঁচা থেকে যায়। মুরগির মাংস পুরোপুরি সাদা না হওয়া পর্যন্ত রান্না না হলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায় না। লালচে বা হালকা গোলাপি রং মানেই বিপদের সংকেত।

দীর্ঘ সময় ফ্রিজের বাইরে মুরগি রাখা

রান্নার আগে দীর্ঘক্ষণ কাঁচা মুরগি ফ্রিজের বাইরে রাখলে উষ্ণ তাপমাত্রায় ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বেড়ে যায়। আবার ফ্রিজে রাখলেও কাঁচা চিকেন কখনওই ফল বা শাকসবজির পাশে রাখা উচিত নয়।

একই ছুরি ও কাটিং বোর্ড ব্যবহার

কাঁচা মুরগি কাটার পর সেই ছুরি বা বোর্ড দিয়েই সবজি কাটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ব্যবহারের পর গরম জল ও সাবান দিয়ে বাসনপত্র ভালভাবে ধুতে হবে। হাত ধোয়া একেবারেই ভুললে চলবে না।

অবশিষ্ট মুরগি ঠিকমতো গরম না করে খাওয়া

রান্না করা চিকেন ফ্রিজে রাখলে ফের খাওয়ার আগে অবশ্যই পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে গরম করতে হবে। দীর্ঘদিন রাখা অবশিষ্ট মাংসে ব্যাকটেরিয়া বেড়ে যেতে পারে।

প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চিকেন থাকলেও রান্নার সময় সামান্য অসতর্কতাই ডেকে আনতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি। ভুলভাবে পরিষ্কার, সংরক্ষণ বা রান্না করলে মুরগির মাংস থেকে হতে পারে ফুড পয়জনিং, ডায়রিয়া, বমি ও পেটের গুরুতর সংক্রমণ।

Leave a comment