‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’—SIR আবহে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ভোটার হওয়ার আবেদন

SIR প্রক্রিয়ার শেষ দিনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস ভোটার হওয়ার জন্য ৮ নম্বর ফর্ম জমা দিলেন। বাংলার মাটির প্রতি টান জানিয়ে বললেন—‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা।

রাজ্যে প্রথম দফার SIR এনুমারেশন শেষ হওয়ার দিনেই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। লোকভবনে এসে বিএলওদের হাতে নিজেই ভোটার হওয়ার আবেদনপত্র জমা দিলেন তিনি। বাংলার মাটিকে শ্রদ্ধা জানিয়ে জানালেন—তিনি এই রাজ্যের ‘দত্তক সন্তান’ হতে চান।

ফর্ম জমা দিতে লোকভবনে রাজ্যপাল

বৃহস্পতিবার সকালে চৌরঙ্গী বিধানসভার ১৬২ নম্বর সেগমেন্টের ৩৮ নম্বর পার্টের বিএলও গৌরাঙ্গ মালাকার ও দুই সুপারভাইজার অশোক তিওয়ারি ও জয়ন্ত ঘোষ রাজ্যপালের দফতরে পৌঁছন। রাজ্যপাল সেখানেই ৮ নম্বর ফর্ম গ্রহণ করেন এবং ভোটার হওয়ার আবেদন জমা দেন।

‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’—SIR আবহে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ভোটার হওয়ার আবেদন

“রবীন্দ্রনাথ যে হাওয়ায় নিঃশ্বাস নিয়েছেন…”—আবেগঘন মন্তব্য

এই মন্তব্য মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছে রাজনৈতিক মহলে।

ধনকড় বনাম বোস—সম্পর্কে পতন নয়, ভিন্নতাই বেশি

প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সময়ে নবান্ন–রাজভবনের সম্পর্ক ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। টুইট, বিবৃতি, চিঠির লড়াই—সবই চলত নিয়মিত।বর্তমান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে রাজ্য প্রশাসনের মতপার্থক্য থাকলেও তা কখনও তিক্ততায় গড়ায়নি। বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর অনুরাগের কথাও আগেই জানিয়েছেন।

‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’—SIR আবহে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ভোটার হওয়ার আবেদন

বাংলা ভাষার প্রেম—রাজভবনে হাতেখড়ি

২০২২ সালের সরস্বতী পুজোয় রাজভবনে প্রথমবার বাংলায় বক্তৃতা দেন রাজ্যপাল।

তবুও দীর্ঘদিন পর্যন্ত ভোটার হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি তিনি। বরাবরই জানাতেন যে কেরলের ভোটার হিসেবেই থাকতে চান।

কেন এই আবেদন? রাজনৈতিক চর্চা তুঙ্গে

এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিনে হঠাৎ এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক মহল জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।এই আবেদন কি শুধুই আবেগের বহিঃপ্রকাশ? নাকি রাজ্য রাজনীতির কোনও বৃহত্তর বার্তা?সব পক্ষই এখন ব্যাখ্যার খোঁজে।

‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’—SIR আবহে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের ভোটার হওয়ার আবেদন
SIR প্রক্রিয়ার শেষ দিনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস চৌরঙ্গী বিধানসভার বিএলওদের হাতে ৮ নম্বর ফর্ম জমা দিয়ে বাংলার ভোটার হওয়ার আর্জি জানান। “বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই”—এই আবেগঘন মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়।

Leave a comment