ভালোবাসার দিনেই প্রকৃতির অপ্রত্যাশিত উপহার। ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র সকালে হালকা তুষারপাতে ঢেকে গেল দার্জিলিংয়ের সেঞ্চল। পাহাড়জুড়ে সাদা আস্তরণে তৈরি হল এক রূপকথার আবহ, যা পর্যটকদের কাছে এই দিনটিকে করে তুলল আরও স্মরণীয়।
শীতের শেষ প্রহরে সাদা বিস্ময়
শনিবার ভোরে আকাশে ঘন মেঘ জমার পরই শুরু হয় হালকা তুষারপাত। অল্প সময়ের মধ্যেই সেঞ্চল এলাকার গাছপালা, রাস্তা ও বনাঞ্চল সাদা বরফে ঢেকে যায়। শীতের তীব্রতা সত্ত্বেও পর্যটকেরা মোবাইল ক্যামেরায় সেই মুহূর্ত বন্দি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। অনেকেই বলেন, মরশুমের শেষ দিকে এমন বরফঝরা সকাল সত্যিই বিরল অভিজ্ঞতা।
ভালোবাসার দিনে প্রকৃতির উপহার
১৪ ফেব্রুয়ারির বিশেষ দিনে তুষারপাত যেন বাড়তি আবেগের রং যোগ করল। বরফে মোড়া পাহাড়ের পটভূমিতে দম্পতিদের ছবি তোলা, হাত ধরাধরি করে হাঁটা—সব মিলিয়ে রোম্যান্টিক আবহে জমে ওঠে পাহাড়ি সকাল। এক পর্যটকের কথায়, “ভ্যালেন্টাইন্স ডে-তে এমন বরফ দেখা সত্যিই স্বপ্নের মতো।”
পর্যটন শিল্পে বাড়তি আশার আলো
স্থানীয়দের মতে, এ বছর শীতকাল জুড়ে তুষারপাত তুলনামূলক কম হয়েছে। তাই ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি এই তুষারপাতকে অনেকেই মরশুমের শেষ বরফঝরা মুহূর্ত বলেই মনে করছেন। পর্যটন ব্যবসায়ীদের আশা, এই প্রাকৃতিক চমক নতুন করে পর্যটকদের আগ্রহ বাড়াবে এবং হোটেল-রিসর্টে বুকিংও বাড়তে পারে।
সেঞ্চল এলাকায় রূপকথার সকাল
সেঞ্চল পাহাড়ি অঞ্চল বরাবরই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত। তবে এদিনের বরফে মোড়া দৃশ্য যেন অন্য মাত্রা যোগ করে। কুয়াশা আর তুষারের মেলবন্ধনে তৈরি হয় এক অনন্য আবহ, যা স্থানীয়দের কাছেও ছিল আনন্দের চমক।
১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার দিনে হঠাৎ তুষারপাতে সাদা হয়ে উঠল দার্জিলিং-এর সেঞ্চল এলাকা। শীতের শেষ প্রহরে এমন বরফঝরা সকাল পেয়ে উচ্ছ্বসিত পর্যটক থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। অনেকের মতে, এটাই হয়তো মরশুমের শেষ তুষারপাত।













