দিলীপের প্রত্যাবর্তনে ‘শঙ্কিত’ হিরণ! খড়গপুর সদরের টিকিটে কি বাড়ছে বঙ্গ বিজেপির ফাটল?

দিলীপের প্রত্যাবর্তনে ‘শঙ্কিত’ হিরণ! খড়গপুর সদরের টিকিটে কি বাড়ছে বঙ্গ বিজেপির ফাটল?

লোকসভা ভোটের পর অনেকটা আড়ালেই ছিলেন দিলীপ ঘোষ। তবে সম্প্রতি ‘শাহী’ সফরের পর ফের চেনা মেজাজে রাজনীতির ক্রিজে ফিরে এসেছেন বঙ্গ বিজেপির এই দাপুটে নেতা। আর তাঁর প্রত্যাবর্তনের সঙ্গেই খড়গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে জোরালো হয়েছে জল্পনা—এবার কি টিকিট বদলের পথে হাঁটবে দল?

শাহী টনিকেই চাঙ্গা দিলীপ

মেদিনীপুরের মাটি থেকে বিজেপির পতাকা উড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। কিন্তু ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান–দুর্গাপুর কেন্দ্র থেকে লড়িয়ে পরাজয়ের মুখ দেখতে হয় তাঁকে। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন দিলীপ। এরপর ধীরে ধীরে দলীয় কর্মসূচি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেও, শাহী সফরের পর ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।

খড়গপুর থেকে লড়ার ইচ্ছায় শুরু জল্পনা

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দিলীপ ঘোষ বলেন, বর্ধমান থেকে লড়ানো নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা। পাশাপাশি ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে দল বললে খড়গপুর সদর থেকে লড়তে প্রস্তুত বলেও জানান। এই মন্তব্যেই নতুন করে শুরু হয় টিকিট-বিতর্ক।

‘অবিচার’ বলেই মনে করছেন হিরণ

খড়গপুর সদরের বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য,

হিরণের গলায় এই মন্তব্যে স্পষ্ট অভিমানী সুর ধরা পড়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

পুরনো দূরত্ব, নতুন সংঘাত?

দিলীপ ঘোষ ও হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের মধ্যে দূরত্ব নতুন নয়। অতীতেও তাঁদের একসঙ্গে দলীয় মঞ্চে খুব কমই দেখা গিয়েছে। একাধিকবার সেই দূরত্ব নিয়ে দলের অন্দরেও চর্চা হয়েছে। দিলীপের প্রত্যাবর্তনে সেই পুরনো দ্বন্দ্বই ফের সামনে আসছে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

শাহী বার্তায় রাজনীতির ময়দানে ফের সক্রিয় দিলীপ ঘোষ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে খড়গপুর সদর থেকে লড়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করতেই প্রশ্ন উঠেছে বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে। দিলীপের প্রত্যাবর্তনে দলীয় অন্দরে টিকিট-বিতর্ক ফের চওড়া হচ্ছে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা।

Leave a comment