চলচ্চিত্র ‘রাহু কেতু’ ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। ছবিটি পৌরাণিক কল্পনা ও পরিস্থিতিনির্ভর কমেডির সংমিশ্রণে নির্মিত। মুক্তির সঙ্গে প্রকাশিত এক রিভিউতে ছবিটির রেটিং ৩/৫ উল্লেখ করা হয়েছে। ছবিটির পরিচালক বিপুল উইগ এবং ঘরানা কমেডি।
কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে একটি কল্পনাভিত্তিক ধারণা—পৌরাণিক চরিত্র রাহু ও কেতু যদি মানুষের রূপে বর্তমান সমাজে আবির্ভূত হয় এবং অদৃশ্য এক শক্তির নির্দেশে ভাল-মন্দের হিসাব মেলাতে শুরু করে, তবে তার পরিণতি কী হতে পারে। এই ধারণার ভিত্তিতেই চলচ্চিত্রের আখ্যান এগিয়ে যায়। গল্পে লোককথা, ধর্মীয় গ্রন্থ ও নৈতিক উপকথার উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে কর্ম ও নৈতিকতার গুরুত্বকে কেন্দ্র করে ঘটনাপ্রবাহ গড়ে ওঠে।
চলচ্চিত্রের সূচনা হিমাচল প্রদেশের একটি ছোট শহরে। সেখানে বসবাসকারী লেখক চুরু লাল শর্মা নিজের জীবন ও লেখালেখি নিয়ে হতাশ। এই পর্যায়ে রহস্যময় ফুফাজির আবির্ভাব ঘটে, যার কাছে একটি জাদুকরি ডায়েরি রয়েছে। সেই ডায়েরি থেকেই রাহু ও কেতুর জন্ম হয়। চরিত্র দু’টি গল্পে এমন সত্তা হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, যারা শাস্তি ও ভারসাম্যের ধারণাকে সামনে রেখে কাজ করে।

রাহু চরিত্রে অভিনয় করেছেন বরুণ শর্মা এবং কেতু চরিত্রে পুলকিত সম্রাট। ছবিতে তাঁদের জুটি কমেডি উপাদানের প্রধান বাহক হিসেবে দেখানো হয়েছে। ফুফাজি চরিত্রে পীযূষ মিশ্রার উপস্থিতি গল্পে রহস্যের মাত্রা যোগ করে। সীমিত পরিসরে অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মনু ঋষি চাড্ডা, অমিত সিয়াল, সুমিত গুলাটি, শালিনী পান্ডে এবং চাঙ্কি পান্ডে।
পরিচালক বিপুল উইগ এই ছবিতে পৌরাণিক বিষয়বস্তুকে হালকা ও পারিবারিক দর্শকদের উপযোগী ভঙ্গিতে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। চিত্রগ্রহণে হিমাচল প্রদেশের লোকেশন ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর গল্পের পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ব্যবহৃত হয়েছে। তবে রিভিউ অনুযায়ী সম্পাদনা ও সঙ্গীতের কিছু অংশ নিয়ে সীমাবদ্ধতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।









