ট্রেন মিসেই ধরা পড়ল খুনের সূত্র! Dwarka-র হোটেলেই শেষমেশ গ্রেফতার অভিযুক্ত

হাওড়ায় WB Elections 2026-এ ব্যান্ডপার্টিতে অংশ নিচ্ছে স্কুল পড়ুয়ারা। ভোটার না হয়েও সুরে মাতাচ্ছে প্রচার মঞ্চ, জানুন বিস্তারিত।

রাজধানী Delhi-তে IRS কন্যার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তদন্তে উঠে এল একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। পুলিশের মতে, পালানোর পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়াই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায় অভিযুক্তের জন্য। ট্রেন মিস করার পর Dwarka-র একটি হোটেলে লুকিয়ে থাকা থেকেই ধরা পড়ে যায় সে।

ট্রেন মিসেই ধরা পড়ল খুনের সূত্র! Dwarka-র হোটেলেই শেষমেশ গ্রেফতার অভিযুক্ত

ট্রেন মিস, পালানোর পরিকল্পনা ভেস্তে

তদন্তে জানা গিয়েছে, ঘটনার পর অভিযুক্ত রাজস্থান পালানোর পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু নির্ধারিত ট্রেন মিস করায় তার পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে বদলে যায়। এই ভুল সিদ্ধান্তই পরে তাকে পুলিশের নাগালে নিয়ে আসে।

হোটেলেই রেখে গেল ডিজিটাল প্রমাণ

ট্রেন মিস করার পর অভিযুক্ত দ্রুত একটি হোটেলে গিয়ে নিজের পরিচয়পত্র দিয়ে চেক-ইন করে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ওয়াইফাই ব্যবহারের তথ্য—সব মিলিয়ে তৈরি হয় গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল প্রমাণ, যা তদন্তে বড় ভূমিকা নেয়।

ট্রেন মিসেই ধরা পড়ল খুনের সূত্র! Dwarka-র হোটেলেই শেষমেশ গ্রেফতার অভিযুক্ত

২০১ নম্বর রুমে লুকিয়ে থাকা

দ্বারকা সেক্টর ৯-এর একটি হোটেলের ২০১ নম্বর ঘরে সকালেই চেক-ইন করে অভিযুক্ত। এরপর সারাদিন সেখানেই লুকিয়ে থাকে। সন্দেহ এড়াতে বাইরে না বেরিয়ে রুম সার্ভিসের মাধ্যমে খাবার অর্ডার করে।

পুলিশের তৎপরতায় দ্রুত গ্রেফতার

Delhi Police ডিজিটাল সূত্র ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে। সেইদিনই সন্ধ্যায় হোটেল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ট্রেন মিসেই ধরা পড়ল খুনের সূত্র! Dwarka-র হোটেলেই শেষমেশ গ্রেফতার অভিযুক্ত

ফরেনসিক তদন্তে জোর

এদিকে অভিযুক্তের রাজস্থানের বাড়িতে পৌঁছেছে ফরেনসিক দল। প্রমাণ সংগ্রহ ও ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ডিজিটাল প্রমাণই এই মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।

ট্রেন মিসেই ধরা পড়ল খুনের সূত্র! Dwarka-র হোটেলেই শেষমেশ গ্রেফতার অভিযুক্ত

Delhi-র চাঞ্চল্যকর IRS কন্যা খুন-কাণ্ডে বড় মোড়। ট্রেন মিস করে পালাতে না পেরে দ্বারকার এক হোটেলে আশ্রয় নেয় অভিযুক্ত রাহুল মীনা। হোটেলের ডিজিটাল তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজই শেষমেশ তাকে ধরিয়ে দেয় পুলিশের হাতে।

Leave a comment