উলুবেড়িয়ার জামবেড়িয়া ব্রিজের কাছে জাতীয় সড়কে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হাওড়া-ক্ষীরপাই রুটের দ্রুতগতির বাসটি আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পর বাসের ভিতরে আটকে পড়া যাত্রীদের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, অতিরিক্ত গতির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
জামবেড়িয়া ব্রিজে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে বাস
বুধবার সন্ধ্যায় হাওড়া থেকে ক্ষীরপাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেয় যাত্রীবোঝাই বাসটি। উলুবেড়িয়া থানার অন্তর্গত ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের জামবেড়িয়া ব্রিজের কাছে পৌঁছতেই চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। মুহূর্তের মধ্যে বিকট শব্দে বাসটি রাস্তার উপর উল্টে যায়। ঘটনায় বাসের ভিতরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহতদের উদ্ধারে ঝাঁপিয়ে পড়েন স্থানীয়রা
দুর্ঘটনার পর বাসের ভিতরে আটকে পড়েন বহু যাত্রী। তাঁদের চিৎকার শুনে আশপাশের বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে উলুবেড়িয়া থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে আসে। যৌথ উদ্যোগে কাচ ভেঙে এবং বাসের ভিতর থেকে যাত্রীদের বের করে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।
হাসপাতালে ভর্তি আহত যাত্রীরা
দুর্ঘটনায় আহত অন্তত ১০ থেকে ১২ জনকে দ্রুত উলুবেড়িয়া শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। এখনও পর্যন্ত কোনও মৃত্যুর খবর মেলেনি।
দীর্ঘ যানজট, ক্রেন এনে সরানো হল বাস
বাসটি জাতীয় সড়কের উপর উল্টে পড়ে থাকায় কোলাঘাটমুখী লেনে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে তৈরি হয় তীব্র যানজট। পরে পুলিশ হাইড্রা ক্রেনের সাহায্যে দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটি রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। এরপর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় যান চলাচল।
পুলিশের প্রাথমিক অনুমান কী?
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের ধারণা, বাসটির অতিরিক্ত গতির কারণেই চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনও কারণ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
হাওড়া থেকে ক্ষীরপাইগামী একটি যাত্রীবোঝাই বাস উলুবেড়িয়ার জামবেড়িয়া ব্রিজের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। দুর্ঘটনায় অন্তত ১০ থেকে ১২ জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালিয়ে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিছু সময়ের জন্য জাতীয় সড়কে যান চলাচলও ব্যাহত হয়।







