দীপাবলির আগে রেওয়ারিতে অবৈধ বাজির মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, আটক ৩

হরিয়ানার রেওয়ারিতে দীপাবলির আগে অবৈধ বাজি বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে চারটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করে সিটি ও মডেল টাউন থানায় পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

দীপাবলির আগে হরিয়ানার রেওয়ারিতে অবৈধ বাজির বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান চালাল পুলিশ। শহরের চারটি এলাকায় একযোগে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বাজি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। পাশাপাশি পৃথক মামলা দায়ের করে শুরু হয়েছে আইনি প্রক্রিয়া।

দীপাবলি যত এগিয়ে আসছে, ততই অবৈধভাবে বাজি বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে তৎপরতা বাড়াচ্ছে রেওয়ারি পুলিশ। পুলিশ সুপার হেমেন্দ্র মীণার নির্দেশে শহরের বিভিন্ন এলাকায় একযোগে অভিযান চালানো হয়।

মুক্তিওয়াড়া, তাকিয়াসরাই, গোকলগেট এবং শক্তিনগর এলাকায় পৃথকভাবে তল্লাশি চালায় পুলিশের দল। তদন্তের সময় বিভিন্ন জায়গায় অনুমতি ছাড়া বাজি মজুত ও বিক্রির অভিযোগ সামনে আসে। অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ বাজি উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া বাজি বাজেয়াপ্ত করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীপাবলির সময় বাজির চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অবৈধ বিক্রি ও মজুতের অভিযোগগুলিকেও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই পুলিশ সুপার হেমেন্দ্র মীণা সংশ্লিষ্ট থানাগুলিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

ওই নির্দেশের পর শহরের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালায় পুলিশ। যেসব জায়গায় অনুমতি ছাড়া বাজি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে, সেখান থেকে সেগুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

তবে উদ্ধার হওয়া বাজির মোট পরিমাণ এবং আনুমানিক মূল্য সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। তিনজনকে আটক করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট ঘটনাগুলিতে নিয়ম অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

দীপাবলির আগে রেওয়ারিতে অবৈধ বাজির মজুত ও বিক্রির বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান, আটক ৩

রেওয়ারিতে পুলিশের অভিযানের পর সিটি থানা এবং মডেল টাউন থানা পৃথক মামলা দায়ের করেছে। সংশ্লিষ্ট থানা এলাকার ঘটনাগুলির তদন্ত করছে পুলিশের পৃথক দল।

পুলিশের বক্তব্য, অনুমতি ছাড়া বাজি বিক্রি এবং মজুত করা নিয়মের লঙ্ঘন। এ ধরনের ঘটনায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাশাপাশি, নিরাপত্তাবিধি না মেনে বাজি মজুত করলে আশপাশের বাসিন্দাদের জন্যও বিপদের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বাড়তে পারে। তাই বাজির ব্যবসার ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিরাপত্তাবিধি মেনে চলা জরুরি।

পুলিশ সুপার হেমেন্দ্র মীণা অবৈধ বাজির ব্যবসার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, জেলায় অনুমতি ছাড়া বাজি বিক্রি বা মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, উৎসবের অজুহাতে নিয়ম লঙ্ঘন করলে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের ঘটনার উপর নজরদারি চালানো এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রেওয়ারির চারটি এলাকায় সাম্প্রতিক তল্লাশি সেই অভিযানেরই অংশ। এই অভিযানে তিনজনকে আটক করার পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া বাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

দীপাবলির সময় বাজারে বাজির কেনাবেচা বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে অনুমতি ছাড়া বাজি বিক্রি ও মজুত বন্ধ করা পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। রেওয়ারিতে সাম্প্রতিক অভিযানে বাজি সংক্রান্ত নিয়ম লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে পুলিশের কড়া অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।

বর্তমানে দায়ের হওয়া মামলাগুলির তদন্ত চলছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

 

Leave a comment