বিশ্বের এক নম্বর টি-২০ ব্যাটার হিসেবেই টুর্নামেন্টে নামলেও প্রথম তিন ম্যাচে শূন্য এবং চতুর্থ ম্যাচে মাত্র ১৫ রান—এমন পরিসংখ্যান ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল তাঁর ফর্ম ও দলে থাকা নিয়ে। অবশেষে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠল ব্যাট। Abhishek Sharma দেখিয়ে দিলেন, বড় মঞ্চে বড় ইনিংস খেলতেই তিনি তৈরি।
সুপার এইটে চাপে ভারত, দরকার ছিল বড় ইনিংস
দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হারের পর সুপার এইট পর্বে ভারতের বাকি ম্যাচ ছিল কার্যত ‘ডু অর ডাই’। এই কঠিন পরিস্থিতিতেই সামনে আসে জিম্বাবোয়ের চ্যালেঞ্জ। শুরুতেই উইকেট না হারিয়ে ইনিংস গড়ার প্রয়োজন ছিল, আর সেই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অভিষেক। ধৈর্য আর আক্রমণের মিশেলে তৈরি হয় ম্যাচ ঘোরানো ইনিংস।
শুরুতে সংযম, পরে বিধ্বংসী রূপ
ইনিংসের প্রথম কয়েক ওভারে বড় শট খেলতে তাড়াহুড়ো করেননি তিনি। সিঙ্গেল নিয়ে স্ট্রাইক ঘোরান, পিচে সেট হন। একবার ছন্দ পেয়ে গেলে চেনা আগ্রাসী মেজাজে ফিরতে সময় লাগেনি। খারাপ বল পেলেই স্টেপ আউট করে ছক্কা, স্পিনারদের বিরুদ্ধে নিখুঁত টাইমিং—সব মিলিয়ে আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং।
গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপে ভরসা
প্রথমে Sanju Samson-এর সঙ্গে ৪৮ রানের জুটি এবং পরে Ishan Kishan-এর সঙ্গে ৭২ রানের পার্টনারশিপ দলকে শক্ত ভিত দেয়। এই দুই জুটিই ভারতের রান তোলার গতি বাড়ায় এবং মিডল অর্ডারের উপর চাপ কমায়। ম্যাচের মোড় ঘোরাতে এই পার্টনারশিপ ছিল বড় ফ্যাক্টর।
২৬ বলেই হাফ সেঞ্চুরি, স্ট্রাইক রেট প্রায় ২০০
মাত্র ২৬ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন অভিষেক। হাফ সেঞ্চুরির সময় তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কা। শেষ পর্যন্ত ৩০ বলে ৫৫ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। স্ট্রাইক রেট ছিল প্রায় ১৮৩-এর কাছাকাছি—যা টি-২০ ফরম্যাটে ম্যাচ জেতানোর মতোই কার্যকর।
টি-২০ বিশ্বকাপে টানা ব্যর্থতার পর দল থেকে বাদ পড়ার জল্পনা তুঙ্গে ছিল। কিন্তু জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে অর্ধশতক করে সমালোচকদের মুখ বন্ধ করলেন ভারতের তারকা ওপেনার অভিষেক শর্মা। সুপার এইটের ডু-অর-ডাই পরিস্থিতিতে তাঁর ইনিংস ভারতকে দিল স্বস্তি।










