বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ইন্দ্রানী হালদারের কাছে পুরী শুধু একটি পর্যটনকেন্দ্র নয়, বরং এক গভীর আধ্যাত্মিক অনুভূতির জায়গা। জগন্নাথদেবের প্রতি অগাধ ভক্তির টানেই তিনি বছরে পাঁচ-ছয় বার পুরী যান। সেই নিয়মিত যাতায়াতের সুবিধার জন্যই কয়েক বছর আগে পুরীতেই নিজের একটি ফ্ল্যাট কিনে নিয়েছেন অভিনেত্রী।
বছরে একাধিকবার পুরী সফর করেন ইন্দ্রানী
ইন্দ্রানী হালদার দীর্ঘদিন ধরেই জগন্নাথদেবের ভক্ত। বছরে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়বার তিনি পুরী যান এবং সুযোগ পেলেই জগন্নাথ মন্দিরে দর্শন করেন। বহু বছর ধরে এই নিয়ম মেনে চলছেন অভিনেত্রী।
হোটেল নয়, এখন নিজের ফ্ল্যাটেই থাকেন
ঘন ঘন পুরী সফরের কারণে হোটেলে থাকার পরিবর্তে নিজের স্থায়ী ঠিকানা তৈরি করেছেন ইন্দ্রানী। প্রায় চার বছর আগে তিনি পুরীতে একটি ফ্ল্যাট কেনেন। এখন পুরী গেলেই সেই ফ্ল্যাটেই থাকেন এবং সেখান থেকেই নিয়মিত মন্দিরে দর্শনে যান।
মন্দির থেকে কত দূরে অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট?
অভিনেত্রীর ফ্ল্যাটটি পুরীর লাইটহাউসের পিছনে অবস্থিত। এই জায়গা থেকে শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে পৌঁছনো তুলনামূলকভাবে সহজ, ফলে সকাল-বিকেল সুবিধামতো মন্দিরে গিয়ে দর্শন করতে পারেন তিনি।
কলকাতার বাড়িতেও ধুমধাম করে রথযাত্রার আয়োজন
শুধু পুরীতেই নয়, কলকাতার নিউ আলিপুরের বাড়িতেও প্রতিবছর রথযাত্রা উপলক্ষে বিশেষ পুজোর আয়োজন করেন ইন্দ্রানী। নিজে হাতে জগন্নাথদেবকে সাজান, সোনার গয়না পরান এবং ফুল দিয়ে সজ্জিত করেন।ভোগের মেনুতেও থাকে বৈচিত্র্য। পকাল ভাত, মালপোয়া, রাবড়ি, খাজা, বিভিন্ন মিষ্টির পাশাপাশি নিজের হাতে রান্না করা বাসন্তী পোলাও, অড়হড় ডাল, পনিরের ডালনা ও খেজুর-আমসত্ত্বের চাটনি নিবেদন করেন তিনি।
আধুনিক প্রসাদেও বিশ্বাস অভিনেত্রীর
ইন্দ্রানী হালদারের বিশ্বাস, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়েই ভক্তি প্রকাশ করা যায়। তাই ঐতিহ্যবাহী ভোগের পাশাপাশি তিনি জগন্নাথদেবকে কোল্ড ড্রিংকস, চিপস, মাখানা, চিঁড়ে ভাজা এবং বিভিন্ন ধরনের ড্রাই ফ্রুটসও নিবেদন করেন।
পুরী কেন বাঙালিদের এত প্রিয়?
পুরী দীর্ঘদিন ধরেই বাঙালিদের অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। ট্রেনে সহজ যোগাযোগ, সমুদ্র, জগন্নাথ মন্দির এবং বাঙালি খাবারের সহজলভ্যতা—সব মিলিয়ে বহু মানুষ বছরের বিভিন্ন সময়ে সেখানে ছুটি কাটাতে যান। ইন্দ্রানী হালদারের মতো অনেকেই তাই পুরীতে নিজের স্থায়ী ঠিকানা তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
জগন্নাথদেবের প্রতি গভীর ভক্তির টানেই বছরের একাধিকবার পুরী যান অভিনেত্রী ইন্দ্রানী হালদার। বারবার হোটেলে থাকার বদলে চার বছর আগে পুরীতেই একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন তিনি। সেই ফ্ল্যাটটি রয়েছে লাইটহাউসের পিছনে, যেখান থেকে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় শ্রীজগন্নাথ মন্দিরে।









