স্কুলের শিশুদের পুষ্টির দিকে নজর রেখে কলকাতার সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে মিড-ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব এবার ইসকনকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন এই ব্যবস্থায় ডিম না থাকলেও সয়াবিন, পনির, রাজমা-সহ বিভিন্ন পুষ্টিকর খাবার থাকবে প্রতিদিনের মেনুতে।
মিড-ডে মিলের দায়িত্বে ইসকন
কলকাতা পুরনিগম এলাকার সরকারি স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব পেয়েছে ইসকনের অন্নামৃত ফাউন্ডেশন। আধুনিক “নন-টাচ অটোমেটেড কিচেন” থেকে খাবার প্রস্তুত করে স্কুলগুলিতে সরবরাহ করা হবে বলে জানা গেছে।
ডিম বাদ, থাকছে পুষ্টিকর বিকল্প
নতুন মেনুতে ডিম রাখা হচ্ছে না। তার বদলে শিশুদের প্রোটিনের চাহিদা পূরণের জন্য সয়াবিন, পনির, রাজমা সহ নানা উপকরণ ব্যবহার করা হবে। ভাত, ডাল ও সবজির পাশাপাশি প্রতিদিন আলাদা মেনু দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিশেষ খাবারের পরিকল্পনা
খিচুড়ির সঙ্গে সয়াবিন ও পনির মিশিয়ে পরিবেশন করা হবে। পাশাপাশি ভাত-ডাল-সবজির সম্পূর্ণ মিল থাকবে। বিশেষ দিনে রসগোল্লা বা গোলাপজামুর মতো মিষ্টিও দেওয়া হতে পারে বলে সূত্রের খবর।
মায়াপুর নয়, কলকাতায় পাইলট প্রকল্প
প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র কলকাতার সরকারি স্কুলগুলিতেই এই প্রকল্প চালু হবে। জেলার স্কুলগুলিতে পুরনো মিড-ডে মিল ব্যবস্থা আপাতত চালু থাকবে।
ইসকনের অভিজ্ঞতা ও পরিকাঠামো
ইসকনের অন্নামৃত ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যেই দেশের একাধিক রাজ্যে মিড-ডে মিল সরবরাহ করে থাকে। তাদের দাবি, উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন খাবার পরিবেশন করা হবে।
কলকাতা পুরনিগম এলাকার সরকারি স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব এবার ইসকন (ISKCON)-এর অন্নামৃত ফাউন্ডেশনের হাতে যাচ্ছে। নতুন ব্যবস্থায় খাবারের তালিকা থেকে ডিম বাদ রাখা হচ্ছে, তবে প্রোটিনসমৃদ্ধ ও পুষ্টিকর নানা পদ থাকছে মেনুতে। বিষয়টি নিয়ে শহরজুড়ে শুরু হয়েছে আলোচনার ঝড়।











