শুধু স্মৃতিচারণ নয়, মাতৃপ্রতিষ্ঠানের পরিকাঠামো উন্নয়নেও এগিয়ে এলেন প্রাক্তনীরা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০০০ সালের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীরা স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের ২৫ বছর পূর্তিতে উল্লেখযোগ্য অনুদান দিয়ে বিভাগের তিনটি শ্রেণিকক্ষকে আধুনিক রূপ দেওয়ার উদ্যোগ নিলেন।

সাড়ে ১৩ লাখ টাকায় শ্রেণিকক্ষের রূপান্তর
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাক্তনীদের দেওয়া মোট ১৩.৫ লক্ষ টাকা মূলত বৈদ্যুতিক কাজ এবং ডিজিটাল শিক্ষার পরিকাঠামো গড়ে তুলতে ব্যবহার করা হয়েছে। এই অনুদানের ফলে তিনটি শ্রেণিকক্ষকে ধাপে ধাপে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে।
স্মার্ট ক্লাসরুমে বদলে গেল মাস্টার্সের দুই শ্রেণিকক্ষ
জিও টেকনিক্যাল এবং এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত মাস্টার্সের দুটি শ্রেণিকক্ষ ইতিমধ্যেই স্মার্ট ক্লাসরুমে রূপান্তরিত হয়েছে। শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দুই শ্রেণিকক্ষের উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই সেখানে পঠনপাঠন শুরু হবে।

চলছে তৃতীয় শ্রেণিকক্ষের কাজ
স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জন্য নির্ধারিত তৃতীয় শ্রেণিকক্ষটির কাজ এখনও চলছে। একটি পুরোনো সার্ভে স্টোর রুমকে নতুন করে শ্রেণিকক্ষে রূপান্তর করা হচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারির শেষের দিকেই এই কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার কথা।
ডিজিটাল শিক্ষায় জোর, জানাল বিভাগীয় প্রধান
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অনুপম দেবসরকার জানান, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়াদের জন্য আধুনিক শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করা। স্মার্ট বোর্ড, ডিজিটাল টুল এবং অনলাইন সংযোগের মাধ্যমে পড়ুয়াদের আধুনিক শিক্ষা পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত করানোই এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য।
কী কী সুবিধা থাকছে স্মার্ট ক্লাসরুমে
প্রতিটি স্মার্ট ক্লাসরুমে থাকছে স্মার্ট স্ক্রিন, ইন্টারনেট সংযোগ, হোয়াইটবোর্ড এবং ম্যাগনেটিক বোর্ড। এক একটি শ্রেণিকক্ষে প্রায় ২০ জন পড়ুয়ার বসার ব্যবস্থা রয়েছে। ভবিষ্যতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাও বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের ২৫ বছর পূর্তিতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০০০ সালের প্রাক্তনীরা সাড়ে ১৩ লাখ টাকা অনুদান দিয়েছেন। সেই অর্থে তিনটি শ্রেণিকক্ষ আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে দুটি ইতিমধ্যেই স্মার্ট ক্লাসরুম হিসেবে উদ্বোধন হয়েছে।










