‘নীরব প্রাণ’ গাছের ওপর নির্যাতন, ভোট এলেই বাড়ে অত্যাচার
Jalpaiguri-তে আবারও সামনে এল এক উদ্বেগজনক ছবি। শহর ও গ্রামাঞ্চলের রাস্তার ধারের গাছগুলিতে নির্বিচারে পেরেক গেঁথে লাগানো হচ্ছে রাজনৈতিক পোস্টার ও ব্যানার। অভিযোগ, নির্বাচন এলেই যেন এই প্রবণতা বেড়ে যায়, আর নীরব গাছগুলিই হয়ে ওঠে সবচেয়ে সহজ টার্গেট।
পেরেক মানেই ধীরে ধীরে মৃত্যুর ফাঁদ! সতর্ক পরিবেশবিদরা
পরিবেশপ্রেমীদের মতে, গাছের গায়ে পেরেক গাঁথা হলে সেই অংশে সংক্রমণ ও পচন ধরতে পারে। ধীরে ধীরে তা গোটা গাছের স্বাস্থ্য নষ্ট করে দেয়। একাধিকবার এই সমস্যা সামনে এলেও, কার্যত কোনও স্থায়ী সমাধান এখনও চোখে পড়েনি।
‘গাছ কথা বলতে পারে না বলেই অত্যাচার’—ক্ষোভ উগরে দিলেন বিশেষজ্ঞরা
পরিবেশবিদদের বক্তব্য, বিকল্প জায়গা থাকা সত্ত্বেও গাছকে পোস্টার টাঙানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তাঁদের কথায়, “গাছ কথা বলতে পারে না বলেই এদের ওপর এই অত্যাচার চলছে। কিন্তু গাছ ছাড়া পরিবেশই টিকবে না।”
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন, হস্তক্ষেপ চাইছে সাধারণ মানুষ
স্থানীয় বাসিন্দারাও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া উচিত। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে Election Commission of Indiaএর হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন পরিবেশপ্রেমীরা।
কড়া নজরদারি ও শাস্তির দাবি, সচেতনতার ডাক
পরিবেশকর্মীদের দাবি—গাছের গায়ে পেরেক গেঁথে প্রচার সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে। এর জন্য কড়া নজরদারি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা জরুরি। তাঁদের মতে, নির্বাচন যতই গুরুত্বপূর্ণ হোক, পরিবেশ রক্ষা তার থেকেও কম নয়।
ভোটের মরশুম এলেই গাছের গায়ে পেরেক গেঁথে পোস্টার লাগানোর অভিযোগ। পরিবেশপ্রেমীদের প্রশ্ন—‘কথা বলতে পারে না বলেই কি এদের ওপর অত্যাচার?’












