Janmashtami 2026: জন্মাষ্টমী মানেই বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে উৎসবের আবহ। আর এই বিশেষ তিথিতে উত্তর ২৪ পরগনার কচুয়া লোকনাথ ধামে ভক্তদের ভিড়ও চোখে পড়ার মতো। সকাল থেকেই মন্দির চত্বর ও আশপাশের এলাকায় পুণ্যার্থীদের আনাগোনা শুরু হয়েছে। দূরদূরান্ত থেকে জল নিয়ে এসে লোকনাথ বাবার মাথায় তা ঢেলে পুজো দিচ্ছেন ভক্তরা। ইতিমধ্যেই মন্দির চত্বর ঘিরে তৈরি হয়েছে উৎসবের পরিবেশ।
কখন লোকনাথ বাবার মাথায় জল ঢালা যাবে?
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কচুয়া লোকনাথ ধামে বিশেষ জল ঢালার পর্ব শুরু হয়েছে বুধবার বিকেল ৩টে থেকে। মন্দির কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী এই পর্ব শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে।ফলে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারও পুণ্যার্থীদের ভিড় বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। জন্মাষ্টমীর সঙ্গে যুক্ত ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই বহু মানুষ এই সময় লোকনাথ বাবার মাথায় জলঢেলে পুজো দিতে কচুয়া ধামে আসেন।
ভিড় সামলাতে প্রশাসনের বিশেষ ব্যবস্থা
পুণ্যার্থীদের বিপুল সমাগমের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।মন্দির চত্বর ও সংলগ্ন এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। ভিড় নিয়ন্ত্রণ এবং পুণ্যার্থীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন জায়গায় স্বেচ্ছাসেবকদেরও রাখা হয়েছে।ফলে পুজো দিতে আসা ভক্তদের নিরাপত্তা এবং মন্দিরে সুশৃঙ্খলভাবে দর্শনের বিষয়টিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
দূর থেকে আসা ভক্তদের যাতায়াতেও নজর
শুধু মন্দির চত্বর নয়, পুণ্যার্থীদের যাতায়াতের বিষয়টিও প্রশাসনের নজরে রয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে উৎসবের সময় অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে কোনও বড় সমস্যা তৈরি না হয়।তবে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ভক্তদের সংখ্যা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় যাঁরা ধামে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের হাতে কিছুটা অতিরিক্ত সময় নিয়ে রওনা হওয়া সুবিধাজনক।
ট্রেনে কচুয়া লোকনাথ ধামে যাবেন কীভাবে?
রেলপথে কচুয়া লোকনাথ ধামে যাওয়ার একটি সহজ উপায় রয়েছে। শিয়ালদহ থেকে হাসনাবাদ লোকাল ধরে কাঁকড়া মির্জানগর রেল স্টেশনে নামতে পারেন।
স্টেশন থেকে কিছুটা পথ হেঁটেই কচুয়া লোকনাথ ধামে পৌঁছনো যায়। তাই কলকাতা ও আশপাশের এলাকা থেকে ট্রেনে আসা পুণ্যার্থীদের জন্য এই পথটি বেশ সুবিধাজনক হতে পারে।
সড়কপথে গেলে কোন রাস্তা ধরবেন?
সড়কপথে কচুয়া লোকনাথ ধামে যেতে চাইলে টাকি রোড ধরে কচুয়া–স্বরূপনগর এলাকার দিকে যেতে হবে। সেখান থেকে প্রায় পাঁচ মিনিটের পথ পেরোলেই মন্দিরে পৌঁছনো যায়।তবে জন্মাষ্টমীর সময় ভক্তদের ভিড় বেশি থাকায় যাত্রার সময় স্বাভাবিকের তুলনায় কিছুটা বেশি লাগতে পারে। তাই হাতে পর্যাপ্ত সময় রেখে বের হওয়াই ভালো।
উৎসবের আবহ কচুয়া লোকনাথ ধামে
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কচুয়া লোকনাথ ধাম ইতিমধ্যেই জমজমাট। মন্দিরে পুজো দিতে দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা আসছেন। একদিকে লোকনাথ বাবার মাথায় জল ঢালার ধর্মীয় আচার, অন্যদিকে মন্দির চত্বর ঘিরে পুণ্যার্থীদের ভিড়—সব মিলিয়ে শুক্রবার রাত পর্যন্ত এই তীর্থক্ষেত্রে উৎসবের আবহ বজায় থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে উত্তর ২৪ পরগনার ঐতিহ্যবাহী কচুয়া লোকনাথ ধামে শুরু হয়েছে বিশেষ পুজো ও জল ঢালার পর্ব। বুধবার বিকেল থেকে লোকনাথ বাবার মাথায় জল ঢালছেন ভক্তরা। শুক্রবার রাত পর্যন্ত এই পর্ব চলার কথা। বিপুল পুণ্যার্থী সমাগমের কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা ও নজরদারি।










