ঝাড়খণ্ডে ২৮ জুন থেকে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয়, রাঁচি-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সতর্কতা

ঝাড়খণ্ডে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা বাড়তে থাকায় রাঁচি-সহ রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় বৃষ্টি, বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সতর্কতা জারি হয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ২৮ জুন থেকে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হবে এবং একাধিক এলাকায় টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

ঝাড়খণ্ডে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা বাড়তে থাকায় রাঁচি-সহ রাজ্যের অধিকাংশ জেলায় আগামী দুই দিন বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ ও দমকা হাওয়ার সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ। বিভাগ জানিয়েছে, ২৮ জুন থেকে রাজ্যে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয় হবে এবং একাধিক এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া বিজ্ঞান কেন্দ্রের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী দুই দিন ঝাড়খণ্ডের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি, দমকা হাওয়া ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পালামু, চতরা, গড়ওয়া এবং লাতেহার ছাড়া রাজ্যের প্রায় সব জেলার জন্য ঝড় ও বজ্রপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

খারাপ আবহাওয়ার সময় খোলা জায়গায় না যাওয়া এবং বজ্রপাতের সময় গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে আশ্রয় না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিভাগ। পাশাপাশি কৃষক এবং গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দাদেরও আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৮ জুন থেকে ঝাড়খণ্ডে মৌসুমি বায়ুর কার্যকলাপ আরও বৃদ্ধি পাবে। এর পর রাজ্যের একাধিক জেলায় টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো বৃষ্টিতে কৃষিকাজ উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং তীব্র গরম থেকেও স্বস্তি মিলবে।

ঝাড়খণ্ডে ২৮ জুন থেকে মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয়, রাঁচি-সহ একাধিক জেলায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার সতর্কতা

বৃষ্টির কারণে রাজধানী রাঁচির সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে। শুক্রবার রাঁচিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত হয়েছে। চাইবাসায় সর্বাধিক ৫০.৩ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জামতাড়ায় ৩৬ মিমি এবং পূর্ব সিংভূমে ৩৩ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়া লোহারদাগায় ২৭ মিমি, রাঁচিতে ১৫ মিমি এবং সিমডেগায় ১৩ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

ঝড়-বৃষ্টির প্রভাবে রাজধানী রাঁচির বিদ্যুৎ পরিষেবাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিদ্যুৎ বিভাগ সাময়িকভাবে একাধিক ফিডারের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখায় শহরের বিভিন্ন এলাকায় এক থেকে দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয়।

কোকার এলাকায় সুরেন্দ্রনাথ স্কুলের কাছে একটি বড় গাছ পড়ে বিদ্যুতের দুটি খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে আশপাশের এলাকায় প্রায় পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত ছিল। মেরামতের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর রাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধার করা হয়।

আবহাওয়া বিভাগ আগামী কয়েক দিনও সতর্ক থাকার এবং আবহাওয়া সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যের ওপর নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে।

 

Leave a comment