কানপুরের বড় ঈদগাহে বকরিদ উপলক্ষে সকাল থেকেই নামাজ আদায়ের জন্য হাজারো মানুষের সমাগম হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো ঈদগাহ প্রাঙ্গণ নামাজিদের ভিড়ে পূর্ণ হয়ে যায়। অনুমান করা হচ্ছে, সেখানে প্রায় ১ লাখ মানুষ নামাজ আদায় করেছেন।
ঈদ-উল-আজহার নামাজ শেষে মানুষ একে অপরকে আলিঙ্গন করে বকরিদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ঈদগাহ প্রাঙ্গণে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের পরিবেশ দেখা যায়। শিশু, যুবক ও প্রবীণদের মধ্যে উৎসবকে ঘিরে উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে।
ইরফান সোলঙ্কিও নামাজে অংশ নেন। নামাজের পর তিনি মানুষকে বকরিদের শুভেচ্ছা জানান এবং শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য দোয়া করেন।
উৎসব উপলক্ষে কানপুরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। ঈদগাহ ও সংলগ্ন এলাকায় বিপুল পুলিশ মোতায়েন ছিল। একাধিক স্থানে ব্যারিকেডিং করা হয় এবং ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হয়।
উত্তর প্রদেশ পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সকাল থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করেন। সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে।
নামাজ চলাকালে ইমাম দেশের শান্তি, উন্নয়ন ও ভ্রাতৃত্বের জন্য দোয়া করান। সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং প্রয়োজনমতো মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বানও জানানো হয়।
ঈদগাহের বাইরে মেলার মতো পরিবেশ দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে সেমাই, মিষ্টি ও খাবারের দোকানে ভিড় ছিল। শিশুরা খেলনা ও বেলুন কিনতে দেখা গেছে।
জেলা প্রশাসন কানপুর যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিকল্পনা কার্যকর করেছিল। নামাজ চলাকালে একাধিক সড়কে যানবাহন চলাচল সীমিত করা হয়, যাতে মানুষের অসুবিধা না হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বড় ঈদগাহের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। মানুষ নামাজ ও ভ্রাতৃত্বের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি ভাগ করে নিচ্ছেন।
উত্তর প্রদেশের অন্যান্য শহরেও শান্তিপূর্ণভাবে বকরিদ উদযাপিত হয়েছে। প্রশাসন জানায়, পুরো রাজ্যের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
কর্মকর্তাদের মতে, উৎসবটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে পুলিশ ও প্রশাসন সম্পূর্ণ সতর্ক ছিল এবং সব ব্যবস্থাপনা সফল হয়েছে।











