কানপুরে তীব্র গরমে জনজীবন ব্যাহত হয়েছে। শহরের তাপমাত্রা ৪৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করেছে, যা মে মাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে উষ্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তীব্র রোদ ও গরম হাওয়ার কারণে দুপুরের সময় সড়কে জনসমাগম কম দেখা গেছে এবং প্রয়োজনীয় কাজ থাকলেই মানুষকে বাড়ির বাইরে বের হতে দেখা গেছে।
তীব্র গরম ও লু থেকে বাঁচতে বহু মানুষকে কানপুর মেট্রো স্টেশনগুলোতে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের কারণে মেট্রো স্টেশনগুলো মানুষের জন্য অস্থায়ী স্বস্তির কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
মেট্রো স্টেশনগুলোতে প্রবীণ, নারী ও যাত্রীদের বসে গরম থেকে স্বস্তি নিতে দেখা গেছে। কিছু মানুষকে পানি পান করতে এবং ঠান্ডা স্থানে বিশ্রাম নিতে দেখা গেছে।
কানপুরে আগামী কয়েক দিন লু বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। দুপুরের সময় বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকেরা মানুষকে বেশি পানি পান, হালকা পোশাক পরা এবং দীর্ঘ সময় রোদে না থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। শিশু ও প্রবীণদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের কথা বলা হয়েছে।
তীব্র গরমের প্রভাব বাজার ও সাধারণ জনজীবনেও দেখা গেছে। দুপুরের সময় বাজারে ভিড় কম ছিল এবং সড়কপাশের বহু এলাকায় নির্জন পরিস্থিতি দেখা গেছে।
সামাজিক মাধ্যমেও মানুষ তীব্র গরম নিয়ে পোস্ট শেয়ার করছেন। বহু ব্যবহারকারী গরম থেকে বাঁচার ঘরোয়া উপায় ও সতর্কতা শেয়ার করেছেন।
উত্তর প্রদেশের একাধিক জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। আবহাওয়া বিভাগ হিটওয়েভ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারাবাহিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং শহরাঞ্চলে কংক্রিটের বিস্তারের কারণে গরমের প্রভাব আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে।
বর্তমানে মানুষ গরম ও লু থেকে বাঁচার উপায় অনুসরণ করছেন এবং প্রশাসনও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছে।












