Handloom Saree in East Medinipur: বিয়েবাড়ির জমকালো সাজ হোক বা অফিসের ক্যাজুয়াল লুক—হাতের কাছে যদি থাকে একটি ভালো তাঁতের শাড়ি, তাহলে আর চিন্তা কীসের? আর সেই সুযোগই এনে দিয়েছে কাঁথির জেলা হস্ততাঁত প্রদর্শনী, যেখানে মাত্র ৫০০ টাকা থেকেই মিলছে পছন্দের শাড়ি।

কাঁথিতে শুরু জেলা হস্ততাঁত প্রদর্শনী
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথিতে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় জেলা হস্ততাঁত প্রদর্শনী ও মেলা। ২৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই মেলা চলবে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মোট পাঁচ দিন ধরে চলা এই প্রদর্শনী প্রথম দিন থেকেই বিপুল সাড়া ফেলেছে।
এক জায়গায় বাংলার নামী তাঁতশিল্প
এই মেলায় একসঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে ফুলিয়া, শান্তিপুর, নবদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী তাঁতের শাড়ি। পাশাপাশি রয়েছে ঢাকাই জামদানি, কোরা শাড়ি, তাঁত বেনারসি—যা সাধারণত এক জায়গায় পাওয়া যায় না। ফলে তাঁতশাড়ি প্রেমীদের কাছে এই মেলা কার্যত স্বর্গ।

দাম ৫০০ টাকা থেকে, মধ্যবিত্তের জন্য স্বস্তি
সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হল দামের পরিসর। সাধারণ ব্যবহারযোগ্য শাড়ি শুরু হচ্ছে মাত্র ৫০০ টাকা থেকে। আবার উৎসব, বিয়ে বা বিশেষ অনুষ্ঠানের জন্য রয়েছে দামী ও ভারী নকশার শাড়িও। মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখেই সাজানো হয়েছে কালেকশন।
৩০টিরও বেশি স্টল, নকশার বৈচিত্র্য
কাঁথির অরবিন্দ স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই মেলায় রয়েছে ৩০টিরও বেশি স্টল। প্রতিটি স্টলেই আলাদা রকমের ডিজাইন ও রঙের শাড়ি। কোথাও হালকা রঙের সূক্ষ্ম তাঁত, কোথাও আবার ভারী বেনারসি কাজ—পছন্দের অভাব নেই।

তাঁতশিল্পী ও ক্রেতা—দু’পক্ষেরই লাভ
এই মেলার মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তাঁতশিল্পীরা সরাসরি তাঁদের তৈরি পণ্য বিক্রির সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যদিকে ক্রেতারাও পাচ্ছেন মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই মানসম্মত তাঁতের শাড়ি, তুলনামূলক কম দামে।
মন্ত্রী উপস্থিতিতে উদ্বোধন
প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন করেন রাজ্যের মৎস্যমন্ত্রী বিপ্লব রায় চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও। ‘ডিস্ট্রিক্ট হ্যান্ডলুম এক্সপো’ নামেই এই মেলার পরিচিতি।

পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনের জেলা হস্ততাঁত প্রদর্শনী। ফুলিয়া, শান্তিপুর, নবদ্বীপ থেকে ঢাকাই জামদানি—মাত্র ৫০০ টাকা থেকেই মিলছে নকশাদার শাড়ি। তাঁতপ্রেমীদের ভিড় উপচে পড়ছে মেলায়।













