ঠকছি কি? চালুর ২৪ ঘণ্টায় সাইবার হেল্পলাইনে ২০০-র বেশি ফোন

ঠকছি কি? চালুর ২৪ ঘণ্টায় সাইবার হেল্পলাইনে ২০০-র বেশি ফোন

চালু হতেই সাড়া। কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) নতুন সাইবার হেল্পলাইন নম্বরে প্রথম ২৪ ঘণ্টায় ২০০-রও বেশি ফোন এসেছে বলে দাবি লালবাজারের। অনলাইন প্রতারণা থেকে শুরু করে ডিজিটাল অ্যারেস্ট— বিভিন্ন অভিযোগে সাহায্য চেয়েছেন শহরবাসী।

কোন নম্বরে মিলছে সাহায্য?

কলকাতা পুলিশের সাইবার হেল্পলাইন নম্বর: ১৮০০ ৩৪৫ ০০৬৬

পুলিশ সূত্রে খবর, চালুর দিন থেকেই একের পর এক ফোন আসতে শুরু করে।

সবচেয়ে বেশি অভিযোগ মোবাইল হ্যাকিং নিয়ে

পুলিশ জানিয়েছে, সবথেকে বেশি প্রশ্ন ও অভিযোগ এসেছে—

মোবাইল বা ডিভাইস হ্যাকিং

ব্যক্তিগত তথ্য চুরি

সন্দেহজনক লিঙ্কে ক্লিকের পর ডেটা ফাঁস

অনেকেই দাবি করেছেন, তাঁদের ফোন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে বা গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে।

অনলাইন প্রতারণা ও ডিজিটাল অ্যারেস্ট আতঙ্ক

অভিযোগের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে—

অনলাইন পেমেন্ট জালিয়াতি

ভুয়ো কাস্টমার কেয়ার

ডিজিটাল অ্যারেস্টের ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা

এ ছাড়া ভুয়ো হোটেল বুকিং ওয়েবসাইটে টাকা খোয়ানো, পেমেন্টের পর বুকিং কনফার্ম না হওয়া বা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার অভিযোগও এসেছে।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় নিয়ে উদ্বেগ

বহু ফোন এসেছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় সংক্রান্ত বিষয়ে। অভিযোগকারীদের দাবি, সাইবার প্রতারণার তদন্তের নামে তাঁদের অ্যাকাউন্টের লেনদেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিশা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুরোনো মামলার খোঁজেও ফোন

পাঁচ-ছয় বছর আগের প্রতারণা মামলায় অর্থ উদ্ধারের অগ্রগতি জানতে চেয়েও অনেকে হেল্পলাইনে যোগাযোগ করেছেন।

কলকাতা পুলিশের এক কর্তার কথায়,

“সচেতনতা যেমন বাড়ছে, তেমনই সাইবার অপরাধের প্রকৃতিও বদলাচ্ছে। সাধারণ মানুষ দ্রুত সাহায্য চাইছেন, সেটাই ইতিবাচক দিক।”

হেল্পলাইনে আসা অভিযোগগুলি প্রাথমিক যাচাইয়ের পর সাইবার শাখায় পাঠানো হয়েছে।

কলকাতা পুলিশের নতুন সাইবার হেল্পলাইন নম্বর চালুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বিপুল সাড়া। অধিকাংশ অভিযোগ অনলাইন প্রতারণা, ডিজিটাল অ্যারেস্টের চেষ্টা ও মোবাইল হ্যাকিং সংক্রান্ত। সচেতনতা বাড়লেও পাল্টাচ্ছে সাইবার অপরাধের ধরণ।

Leave a comment