বন্দে ভারত স্লিপারে এবার লোকাল খাবারের স্বাদ! ট্রেন সফরেই মিলবে বাংলা-অসমের স্পেশাল খানা

বন্দে ভারত স্লিপারে এবার লোকাল খাবারের স্বাদ! ট্রেন সফরেই মিলবে বাংলা-অসমের স্পেশাল খানা

রাতের ট্রেনযাত্রায় আর একঘেয়ে খাবার নয়! ভারতের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে সফর করলে যাত্রীরা উপভোগ করতে পারবেন নিজ নিজ অঞ্চলের পরিচিত স্বাদ। হাওড়া–কামাখ্যা রুটে চালু হতে চলা এই অত্যাধুনিক ট্রেনে থাকছে বাংলা ও অসমের বিশেষ স্থানীয় খাবারের ব্যবস্থা।

হাওড়া–কামাখ্যা রুটে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার

পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের রাজধানী শহরকে যুক্ত করে হাওড়া ও কামাখ্যার মধ্যে চালু হতে চলেছে ভারতের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ট্রেনটির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী, ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মালদহের একটি অনুষ্ঠান থেকে।

কমবে যাত্রার সময়, বাড়বে আরাম

এই ট্রেনটি ৯৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ হাওড়া–কামাখ্যা পথ মাত্র ১৪ ঘণ্টায় অতিক্রম করবে। যেখানে বর্তমানে অন্যান্য এক্সপ্রেস ট্রেনে সময় লাগে ১৬–১৭ ঘণ্টা, সেখানে বন্দে ভারত স্লিপার যাত্রীদের বাঁচাবে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ ঘণ্টা সময়।

ট্রেনেই মিলবে লোকাল খাবারের স্বাদ

এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হল খাবার ব্যবস্থা।

কামাখ্যা থেকে ছাড়া ট্রেনে পরিবেশন করা হবে অসমের স্থানীয় খাবার

হাওড়া থেকে ছাড়া ট্রেনে মিলবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী রান্নার স্বাদ

এর ফলে যাত্রাপথেই যাত্রীরা উপভোগ করতে পারবেন ঘরের মতো পরিচিত খাবার। পাশাপাশি থাকছে অনলাইন ক্যাটারিং সুবিধা, যাতে যাত্রীরা পছন্দমতো খাবার অর্ডার করতে পারেন।

নববর্ষে বাংলা-অসমের জন্য রেলের উপহার

নববর্ষের প্রাক্কালে এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে বাংলা ও অসমের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবেই দেখছে ভারতীয় রেল। শক্তি-সাশ্রয়ী ও সেমি-হাই-স্পিড এই ট্রেন আধুনিক, যাত্রী-কেন্দ্রিক রেলভ্রমণের নতুন দিশা দেখাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

কোচ বিন্যাস ও যাত্রী ক্ষমতা

১৬ কোচের এই রেকটিতে থাকছে—

১১টি এসি থ্রি-টিয়ার কোচ

৪টি এসি টু-টিয়ার কোচ

১টি এসি ফার্স্ট ক্লাস কোচ

মোট যাত্রী ধারণক্ষমতা প্রায় ৮২৩ জন। বিশেষভাবে রাতের যাত্রার কথা মাথায় রেখে সময়সূচি তৈরি করা হয়েছে, যাতে সন্ধ্যায় যাত্রা শুরু করে পরের দিন সকালে গন্তব্যে পৌঁছনো যায়।

হাওড়া–কামাখ্যা রুটে চালু হতে চলেছে ভারতের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। আধুনিক সুযোগ–সুবিধার পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য থাকছে বাংলা ও অসমের ঐতিহ্যবাহী লোকাল খাবার। অনলাইন ক্যাটারিং ব্যবস্থাও যুক্ত হচ্ছে এই ট্রেনে।

Leave a comment