মধ্যমগ্রাম চৌমাথার কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা, দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় স্কুটিচালক গুরুতর আহত

মধ্যমগ্রাম চৌমাথার কাছে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা, দ্রুতগতির বাসের ধাক্কায় স্কুটিচালক গুরুতর আহত

যশোর রোডে ফের আতঙ্ক ছড়াল পথ দুর্ঘটনা। বৃহস্পতিবার বিকেলে মধ্যমগ্রাম চৌমাথার প্রায় ৫০০ মিটার আগে একটি স্কুটিকে সজোরে ধাক্কা মারে দ্রুতগতির একটি বাস। সংঘর্ষের তীব্রতায় স্কুটিটি বাসের সামনে আটকে যায় এবং আরোহী-সহ বেশ কিছুটা দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় বাসটি। ঘটনায় রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন স্কুটিতে থাকা দুই যুবক।

কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিকেলের ব্যস্ত সময়ে যশোর রোড ধরে দ্রুতগতিতে আসছিল বাসটি। সেই সময় হঠাৎই বাসের সামনে চলে আসে একটি স্কুটি। চালক পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সুযোগ পাননি বলেই অনুমান। মুহূর্তের মধ্যেই স্কুটিটিকে ধাক্কা মারে বাসটি, যার জেরে স্কুটি বাসের সামনে আটকে যায়।

স্কুটি টেনে নিয়ে যায় বাস

দুর্ঘটনার পরেও বাসটি সঙ্গে সঙ্গে থামেনি। স্কুটিটি বাসের সামনে আটকে থাকায় প্রায় কয়েক মিটার পর্যন্ত আরোহী-সহ স্কুটিকে টেনে নিয়ে যায় বাসটি। সেই দৃশ্য দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। পথচারীরা আতঙ্কিত হয়ে চিৎকার শুরু করেন।

গুরুতর আহত দুই যুবক

স্কুটিতে থাকা দুই যুবক গুরুতরভাবে আহত হন। তাঁদের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে। স্থানীয় মানুষজন দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে পাঠান। পুলিশ সূত্রে খবর, আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ঘটনাস্থলে পুলিশ, শুরু তদন্ত

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মধ্যমগ্রাম থানার পুলিশ। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটি আটক করা হয়েছে। চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কীভাবে দুর্ঘটনাটি ঘটল, বাসের গতি কতটা ছিল, ট্রাফিক নিয়ম মানা হয়েছিল কি না—সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ফের প্রশ্নের মুখে যশোর রোডের নিরাপত্তা

বারবার যশোর রোডে দুর্ঘটনার ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে রাস্তার নিরাপত্তা ও যানবাহনের বেপরোয়া গতির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ব্যস্ত এই এলাকায় গতিনিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

মধ্যমগ্রাম চৌমাথার অদূরে যশোর রোডে বৃহস্পতিবার বিকেলে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটে। দ্রুতগতির একটি বাস স্কুটিকে ধাক্কা মারায় স্কুটিতে থাকা দুই যুবক গুরুতরভাবে আহত হন। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Leave a comment