শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় গরু, ষাঁড় ও অন্যান্য গবাদিপশুর অবাধ বিচরণ নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগের পর নড়েচড়ে বসল মালদহ জেলা ট্র্যাফিক পুলিশ। যানজট কমানো এবং দুর্ঘটনা এড়াতে এবার শুরু হয়েছে বিশেষ সচেতনতামূলক অভিযান। একই সঙ্গে গবাদিপশুর মালিকদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সতর্কবার্তা অমান্য করলে নেওয়া হবে আইনানুগ ব্যবস্থা।
![]()
ব্যস্ত সড়কে বাড়ছিল দুর্ঘটনার আশঙ্কা
প্রতিদিন বিকেল থেকে মালদহ শহরের একাধিক ব্যস্ত সড়ক, বাজার এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গবাদিপশুর বিচরণ লক্ষ্য করা যায়। অনেক সময় রাস্তার মাঝখানেই বসে থাকার কারণে যান চলাচল ব্যাহত হয় এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে ফোয়ারা মোড়, সাহাপুর, সেতু মোড়, ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এই সমস্যা দীর্ঘদিনের।
ট্র্যাফিক পুলিশের বিশেষ অভিযান
পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইংরেজবাজার ও পুরাতন মালদহ পৌরসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বিশেষ অভিযান চালায় জেলা ট্র্যাফিক পুলিশ। ট্র্যাফিক আইসি মহেশ সিংয়ের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীরা মাইকিং করে পশুর মালিকদের সতর্ক করেন এবং রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো গবাদিপশুগুলিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেন।
মালিকদের জন্য কড়া নির্দেশ
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গবাদিপশু অবশ্যই নির্দিষ্ট জায়গায় বা মাঠে বেঁধে রাখতে হবে। কোনও অবস্থাতেই যাতে তারা শহরের মূল সড়কে চলে না আসে, তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব মালিকদেরই। কারণ রাস্তায় পশুর উপস্থিতির ফলে শুধু যানজট নয়, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাও বিঘ্নিত হচ্ছে।
![]()
সতর্কবার্তা অমান্য করলে আইনি পদক্ষেপ
প্রশাসনের দাবি, অতীতেও একাধিকবার সচেতনতা প্রচার চালানো হলেও অনেকেই তা গুরুত্ব দেননি। তাই এবারও নির্দেশ অমান্য করে গবাদিপশুকে রাস্তায় ছেড়ে দিলে সংশ্লিষ্ট মালিকদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ট্র্যাফিক পুলিশ।
![]()
শহরবাসীর সমর্থন
ট্র্যাফিক পুলিশের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন মালদহের বাসিন্দারা। তাঁদের মতে, নিয়মিত এই ধরনের অভিযান চালানো হলে শহরের রাস্তায় যানজট কমবে, দুর্ঘটনার ঝুঁকিও অনেকটাই হ্রাস পাবে।
![]()
মালদহ শহরের ব্যস্ত রাস্তায় অবাধে ঘুরে বেড়ানো গবাদিপশুর কারণে যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায় বিশেষ অভিযান শুরু করেছে জেলা ট্র্যাফিক পুলিশ। মাইকিং করে পশুর মালিকদের সতর্ক করার পাশাপাশি রাস্তায় থাকা।








