মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর বিতর্ক:সোমবার উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচনী তালিকা সংশোধন বা SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “এটা সুপার এমারজেন্সি।” মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নির্বাচন কমিশন রাজ্যের অফিসারদের প্রশাসনিক কাজ থেকে সরিয়ে রেখেছে, যার ফলে সাধারণ পরিষেবা ব্যাহত হচ্ছে। মমতার হুঁশিয়ারি— “আমার গলা কেটে দিতে পারেন, কিন্তু একটিও প্রকৃত ভোটারের নাম কাটা চলবে না।

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মমতার তীব্র আক্রমণ
উত্তরবঙ্গের প্রশাসনিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আঙুল তোলেন। তিনি বলেন, “এসআইআর নামের এই প্রক্রিয়া আসলে এক ধরনের চাপ সৃষ্টি। রাজ্যের অফিসারদের এমনভাবে ব্যস্ত রাখা হচ্ছে যে প্রশাসনের কাজ প্রায় অচল হয়ে পড়েছে।”
“সুপার এমারজেন্সি” বললেন মুখ্যমন্ত্রী
মমতা এই প্রক্রিয়াকে আখ্যা দেন “সুপার এমারজেন্সি” হিসেবে। তাঁর বক্তব্য, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা আসলে গণতন্ত্রকে দুর্বল করার পরিকল্পনা। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বলেন, “আমিও এখনো ফর্ম পূরণ করিনি, করবও না যতক্ষণ না প্রতিটি প্রকৃত নাগরিকের নাম তালিকায় থাকে।

কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ
মমতা প্রশ্ন তোলেন, “এত তাড়াহুড়ো করে এই প্রক্রিয়া চালানোর প্রয়োজন কী?” তাঁর অভিযোগ, “ভোটের আগে এসব করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করার এবং প্রশাসনকে চাপে রাখার চেষ্টা চলছে।
২০২৬ ভোটের আগে রাজনৈতিক বার্তা
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, মমতার এই বক্তব্য ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে কেন্দ্র ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাঁর কৌশলগত অবস্থানের ইঙ্গিত। তিনি এসআইআর-এর পাশাপাশি জিএসটি-কেও “ব্লান্ডার” বলে সমালোচনা করেন, এবং অভিযোগ করেন, “রাজ্যগুলির উপর থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিচ্ছে কেন্দ্র।

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে ফের সরব মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন রাজ্য প্রশাসনের কাজ বাধাগ্রস্ত করছে এবং প্রকৃত ভোটারদের নাম কেটে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মমতা বলেন, “গলা কেটে দিন, কিন্তু ভোটারদের অধিকার কেড়ে নিতে দেব না।










