হঠাৎ বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কলকাতা : সোমবার রাতের প্রবল বর্ষণে কলকাতা কার্যত অচল হয়ে পড়ে। বহু এলাকা জলে ডুবে যায়। সেই পরিস্থিতিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারান ৮ জন নাগরিক। ঘটনার পর নবান্ন থেকে টানা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মেয়র, মুখ্যসচিব ও পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন বলে জানিয়েছেন।

সরাসরি সিইএসসি-কে দায়ী করলেন মমতা
মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট দাবি করেছেন, “বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্ব সরকারের নয়, সেটা সিইএসসি-র। তাই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও তাদের কর্তব্য।” মমতার অভিযোগ, বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও বিদ্যুতের পুরনো তার মেরামতি হয়নি। এর জেরেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ক্ষতিপূরণের দাবি
প্রাণ হারানো পরিবারের পাশে দাঁড়াতে সিইএসসি-কে সরাসরি নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, “প্রত্যেকটি পরিবারকে সাহায্য করতে হবে। চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে।” পাশাপাশি ভবিষ্যতে যাতে এই ধরণের দুর্ঘটনা আর না ঘটে, তার জন্য দ্রুত আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া শুরু করারও দাবি জানান তিনি।

স্কুল-কলেজ ছুটি, অফিসে সতর্কবার্তা
শহরের জলমগ্ন পরিস্থিতি ও বিপদের আশঙ্কা মাথায় রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মঙ্গলবার স্কুল-কলেজ ছুটি ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে অফিসকেও বাড়ি থেকে কাজের পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা— “শুধু মঙ্গলবার নয়, বুধবারও অপ্রয়োজনীয়ভাবে অফিসে না যাওয়াই ভাল।”
নদী ও ড্রেনেজ সমস্যায় নতুন ইঙ্গিত
মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেছেন, ফরাক্কার সঠিক ড্রেজিং না হওয়ায় বিহার-উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা জল গঙ্গার প্রবাহে সমস্যা তৈরি করছে। এর ফলে কলকাতা ও আশপাশে জল জমে বিপর্যয় আরও গভীর হচ্ছে।

কলকাতার অস্বাভাবিক বৃষ্টিতে জলমগ্ন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় সরাসরি সিইএসসি-কেই দায়ী করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বহুবার সতর্ক করার পরও বিদ্যুতের তার মেরামত করা হয়নি। নিহত পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও চাকরি দেওয়ার দাবিও জানালেন তিনি।









