রাজনীতিতে বিরল সৌজন্য! প্রতিপক্ষকে জড়িয়ে ধরে ভোট চাইলেন আইএসএফ প্রার্থী, চর্চায় মিনাখাঁ

মিনাখাঁয় আইএসএফ প্রার্থী প্রতীক মণ্ডল তৃণমূল প্রধানের কাছেই ভোট চান। সৌজন্যের রাজনীতির এই বিরল ছবি ঘিরে চর্চা তুঙ্গে।

ভোটের ময়দানে যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চরমে, সেখানে মিনাখাঁয় ধরা পড়ল এক ব্যতিক্রমী ছবি। প্রতিপক্ষ দলের নেতাকে জড়িয়ে ধরে ভোট চাওয়ার ঘটনা শুধু চমকই নয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক নতুন দৃষ্টান্তও তৈরি করল।

আমতলা বাজারে সাধারণ মানুষের মতো প্রচার

মিনাখাঁ বিধানসভা এলাকায় আইএসএফ প্রার্থী প্রতীক মণ্ডল দলীয় কর্মীদের নিয়ে আমতলা বাজারে জনসংযোগে নামেন। বাজারের ভিতরে ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেন, এমনকি সাধারণ ক্রেতার মতো সবজি ও মাছও কেনেন। তাঁর এই সরল প্রচারভঙ্গি মানুষের মধ্যে আলাদা বার্তা দেয়।

বাজারের ব্যাগ হাতে ঘুরে ঘুরে ভোটের আবেদন

কেনাকাটা শেষে হাতে বাজারের ব্যাগ নিয়েই আশপাশের এলাকায় প্রচার চালান তিনি। সরাসরি মানুষের সঙ্গে কথা বলে নিজের পক্ষে ভোট চান। এই সহজ-সরল যোগাযোগে স্থানীয়দের সাড়া মিলেছে বলেই দাবি শিবিরের।

প্রতিপক্ষের সঙ্গে করমর্দন, সৌজন্যের নজির

এই সময় কুমারজোল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান আকবর গাজীর সঙ্গে দেখা হয় প্রতীক মণ্ডলের। ভিন্ন দলের হলেও সৌজন্য বজায় রেখে করমর্দন করেন, আলাপচারিতাও চলে দু’জনের মধ্যে। রাজনীতিতে এমন ছবি সচরাচর দেখা যায় না।

প্রতিপক্ষকেই ভোটের আবেদন, বাড়ল চর্চা

চমক এখানেই শেষ নয়—প্রতীক মণ্ডল তৃণমূলের ওই প্রধানের কাছেই নিজের পক্ষে ভোট দেওয়ার আবেদন জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। অনেকেই এটিকে ‘নতুন ধরনের রাজনীতি’ বলে আখ্যা দিচ্ছেন।

‘সৌজন্যের রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চাই’—প্রার্থীর বার্তা

ভাইরাল হওয়া ছবি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে প্রতীক মণ্ডল বলেন, ভিন্ন দলের হলেও একে অপরের কাছে ভোট চাওয়ায় কোনও দোষ নেই। মিনাখাঁয় সৌজন্যপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই তাঁর লক্ষ্য, এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় রাখতে চান।

উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় নির্বাচনী প্রচারে ভিন্ন বার্তা দিলেন আইএসএফ প্রার্থী প্রতীক মণ্ডল। তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান আকবর গাজীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তাঁর কাছেই ভোটের আবেদন জানান—যা রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

Leave a comment