ছুটির দুপুরে দাউদাউ আগুন মৌলালির বহুতলে! মুহূর্তে আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫ ইঞ্জিন

কলকাতার মৌলালির আনন্দ পালিত রোডের বহুতলে ছুটির দুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিনে নিয়ন্ত্রণে আগুন। প্রাণহানি হয়নি, তদন্ত শুরু।

ছুটির দিনে শহরের ব্যস্ত অফিসপাড়ায় আচমকা আগুন—আর তাতেই চরম আতঙ্ক। রবিবার দুপুরে মৌলালির আনন্দ পালিত রোডের একটি বহুতল থেকে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখে চমকে ওঠেন পথচারীরা। মুহূর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল বাহিনী।

চারতলার ঘর থেকেই আগুনের সূত্রপাত

দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৌলালির আনন্দ পালিত রোডে অবস্থিত ওই বহুতলটির চারতলার একটি ঘর থেকে প্রথমে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ভয়াবহ আকার নেয়। বহুতলটি মূলত অফিস ব্যবহারের জন্য হওয়ায় রবিবার সেখানে লোকজন কম ছিল।

ছুটির দুপুরে দাউদাউ আগুন মৌলালির বহুতলে! মুহূর্তে আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫ ইঞ্জিন
ঘটনাস্থলে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিন। সংকীর্ণ রাস্তায় আগুন নেভানোর কাজে বেশ কিছুটা বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের। প্রায় দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়।

ছুটির দিনেই রক্ষা, আতঙ্ক ছড়াল এলাকায়

দমকল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, ছুটির দিন হওয়ায় বহুতলে কর্মীদের উপস্থিতি কম ছিল। সেই কারণেই বড়সড় প্রাণহানির ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। তবে আগুনের তীব্রতা দেখে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ছুটির দুপুরে দাউদাউ আগুন মৌলালির বহুতলে! মুহূর্তে আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫ ইঞ্জিন

ক্ষয়ক্ষতি ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

এই অগ্নিকাণ্ডে কতটা আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ঘটনায় বহুতলের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যথাযথ ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে দমকল বিভাগ।

তদন্ত শুরু দমকলের

আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। দমকল সূত্রে জানানো হয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ঘাটতি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।

ছুটির দুপুরে দাউদাউ আগুন মৌলালির বহুতলে! মুহূর্তে আতঙ্ক, ঘটনাস্থলে দমকলের ৫ ইঞ্জিন
রবিবার ছুটির দুপুরে কলকাতার মৌলালির আনন্দ পালিত রোডের একটি বহুতলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। চারতলার একটি ঘর থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দমকলের পাঁচটি ইঞ্জিনের দীর্ঘ চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। প্রাণহানি না হলেও এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়।

 

Leave a comment