বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের কেন্দ্রে মুহাম্মদ ইউনূস। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক সিনিয়র আইনজীবী। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ, আইনি নোটিসের ইঙ্গিত
বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহসিন রশীদ দাবি করেছেন, ইউনূসের একাধিক পদক্ষেপ সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল। তাঁর কথায়, সরকার যদি এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নেয়, তবে তিনি নিজেই নোটিস পাঠিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করবেন।এই মন্তব্যের পর থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
আইনজীবীর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য থাকার সময় রাষ্ট্রপতিই ছিলেন সাংবিধানিকভাবে কার্যকর প্রধান পদে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে রাষ্ট্রপতিকে যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি।রাষ্ট্রপতির ওপর মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং নথিতে স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, এসব কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের সাংবিধানিক শিষ্টাচার পরিপন্থী।
সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ
মোহসিন রশীদ জানান, সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ চ্যালেঞ্জ করে তিনি ইতিমধ্যে আদালতে গিয়েছেন। রায়ের সার্টিফায়েড কপি হাতে পেলে রিভিউ আবেদন করবেন বলেও জানান।তাঁর মতে, ভবিষ্যতে যাতে কোনও অসাংবিধানিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন না হয়, সে বিষয়ে এখনই সতর্ক হওয়া জরুরি।
তদন্ত কমিটির দাবি
প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের চেষ্টার মতো ঘটনাগুলির সঙ্গে ইউনূসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্পৃক্ততা ছিল কি না—তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি বা কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়েছেআইনজীবীর বক্তব্য, রাষ্ট্র কোনও ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক পরীক্ষার ক্ষেত্র নয়; রাষ্ট্রের ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষভাবে অনুসন্ধান করা উচিত।
রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিক্রিয়া
এমন গুরুতর অভিযোগ সামনে আসায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যদিও ইউনূস বা তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের তরফে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনও স্পষ্ট নয়।পর্যবেক্ষকদের মতে, বিষয়টি আদালতে গড়ালে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার প্রভাব পড়তে পারে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা Muhammad Yunus-এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী Mohsin Rashid। অভিযোগ, সংবিধান লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রপতির সাংবিধানিক ক্ষমতা খর্ব করার মতো গুরুতর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটি গঠন না হলে নিজেই আইনি পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।











