মুজফ্ফরপুরের মানুষের জন্য দীর্ঘ সময় পর আবারও বিমান পরিষেবা নিয়ে নতুন আশা তৈরি হয়েছে। জুন মাস থেকে পতাহী বিমানবন্দর থেকে ছোট বিমানের পরিচালনা প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে তথ্য দিয়ে সাংসদ Sanjay Jha বলেন, আঞ্চলিক সংযোগ শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে এটি একটি পদক্ষেপ হবে।
জানা গেছে, প্রাথমিক পর্যায়ে ছোট বিমানের পরিচালনা শুরু করা হবে। এ জন্য প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত স্তরে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। বিমানবন্দরের অবকাঠামো এবং নিরাপত্তা মানদণ্ডও পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
পতাহী বিমানবন্দর দীর্ঘদিন ধরে বিমান পরিষেবা চালুর অপেক্ষায় রয়েছে। উত্তর বিহারের মানুষের দাবি ছিল, এখান থেকে নিয়মিত বিমান পরিষেবা চালু করা হোক, যাতে পাটনা এবং অন্যান্য বড় শহরের ওপর নির্ভরতা কমানো যায়।
সাংসদ সঞ্জয় ঝা বলেন, বিমান সংযোগ শুরু হলে বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পর্যটন ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। বিশেষ করে উত্তর বিহারের মানুষের যাতায়াতে সময় সাশ্রয় হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাড়বে।
Airports Authority of India এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দর প্রাঙ্গণে রানওয়ে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং অন্যান্য প্রযুক্তিগত সুবিধা নিয়েও কাজ চলছে।
স্থানীয়দের মতে, মুজফ্ফরপুর থেকে বিমান পরিষেবা চালু হলে পুরো মিথিলা ও তিরহুত অঞ্চলের উপকার হবে। ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও রোগীদের বড় শহরে পৌঁছাতে সুবিধা হবে।
বিহারে আঞ্চলিক বিমান পরিষেবা সম্প্রসারণে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। ছোট শহরগুলোকে বিমান নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনার আওতায় একাধিক বিমানবন্দরে কাজ চলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মুজফ্ফরপুরের মতো বড় শহরে বিমান পরিষেবা চালু হলে বিনিয়োগ ও পর্যটন বাড়তে পারে। লিচু শিল্প এবং কৃষি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থার সুবিধা পেতে পারেন।
সামাজিক মাধ্যমেও এ খবর নিয়ে আলোচনা চলছে। দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দর চালুর দাবি জানিয়ে আসা মানুষ জুন থেকে প্রক্রিয়া শুরুর খবরের পর সন্তোষ প্রকাশ করছেন।
Ministry of Civil Aviation-এর পক্ষ থেকে আঞ্চলিক বিমান সংযোগ প্রকল্পের আওতায় ছোট শহরগুলোকে যুক্ত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। মনে করা হচ্ছে, পতাহী বিমানবন্দরও এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।
যদিও নিয়মিত বিমান পরিষেবা চালু হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে, জুন থেকে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার তথ্য স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা বাড়িয়েছে।












