ইন্দোরের ভঁওরকুয়াঁ এলাকায় NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। ৫,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং স্থানীয় বাসিন্দা এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভকারীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।
মধ্য প্রদেশের ইন্দোরের ভঁওরকুয়াঁ এলাকায় ৩০ জুন থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। বুধবার তান্ত্যা ভীল চৌরাহায় ৫,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কোচিং শিক্ষক এবং স্থানীয় বাসিন্দা সমবেত হন। বৃষ্টির মধ্যেও বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে এবং শিক্ষার্থীরা ফ্লাইওভারের নিচে ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে নিজেদের দাবিতে অবস্থান চালিয়ে যান।
বিক্ষোভ চলাকালে “ন্যায় দাও” এবং “প্রশ্নপত্র ফাঁসের দোষীদের শাস্তি দাও” স্লোগান দেওয়া হয়। আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের দাবি, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি, NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পাশাপাশি তারা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছেন। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, এটি শুধু একটি পরীক্ষার বিষয় নয়, বরং সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বিষয়।
![]()
ধর্নাস্থলে দিন-রাত শিক্ষার্থীরা অবস্থান করছেন। একটি দল বিশ্রাম নেওয়ার সময় অন্য একটি দল আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ নিয়মিত এসে আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন। বহু শিক্ষক ও অভিভাবকও শিক্ষার্থীদের দাবিকে সমর্থন করে তাদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেছেন।
আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিক্ষোভকারীরা ‘যুব ন্যায় যাত্রা’ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই যাত্রার উদ্দেশ্য ইন্দোর এবং আশপাশের এলাকার মানুষকে যুক্ত করে পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবিকে আরও বিস্তৃত পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া।
ভঁওরকুয়াঁ এলাকাকে মধ্য প্রদেশের একটি প্রধান শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেখানে NEET, JEE, UPSC এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী বসবাস করেন। এ কারণে এখানে শুরু হওয়া এই আন্দোলন এখন শুধু স্থানীয় বিষয় নয়, বরং রাজ্যজুড়ে শিক্ষার্থীদের আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত বিক্ষোভ অব্যাহত থাকবে।











