কনকনে ঠান্ডায় জমে গেল উত্তরবঙ্গ
বাংলাজুড়ে পড়ছে পারদ, উত্তরবঙ্গে শীতের আমেজ একেবারে তুঙ্গে।রবিবার রাত থেকেই পাহাড় ও সমতল—দুই জায়গাতেই ঠান্ডার ঝাঁঝ বাড়তে শুরু করেছে। ভোরবেলা চোখ মেলতেই কুয়াশায় ঢাকা প্রকৃতি, আর দূর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা মিলছে ঝলমলে সাদা আলোয়—যদি কুয়াশার ঘনত্ব একটু কমে! পর্যটকদের ভিড়ে সরগরম দার্জিলিং–কালিম্পং।
দার্জিলিংয়ে নেমে গেল তাপমাত্রা, সপ্তাহজুড়ে ঠান্ডা বজায়
রবিবার দার্জিলিংয়ে পারদ নেমেছিল ৫ ডিগ্রিতে; সোমবারেও একই চিত্র।হাওয়া অফিসের খবর, আপাতত পাহাড়ে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা নেই। সকালের কনকনে ঠান্ডা টুরিস্টদের রীতিমতো জড়সড় করে দিচ্ছে। চায়ের কাপ হাতে ম্যাল ঘাটে দাঁড়িয়ে রোদের অপেক্ষায় থাকছেন অনেকে।
কুয়াশার চাদরে মোড়া দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার
সকাল থেকে ঘন কুয়াশায় কমছে দৃশ্যমানতা, রাস্তায় গাড়ির গতি কমাতে হচ্ছে।শুরুতেই দিকদিশা বোঝা কঠিন হয়ে পড়ছে স্থানীয়দের। তবে দুপুরে ঢুকে পড়লেই পরিস্থিতির উন্নতি—রোদ উঠলে পাহাড়ি শহরের সে সৌন্দর্য মন কাড়ে। শীত উপভোগে পর্যটকেরা ভিড় জমাচ্ছেন প্রতিটি পয়েন্টে—টাইগার হিল থেকে লাভা–লোলোগাঁও পর্যন্ত।
আবহাওয়া শুষ্ক, সতর্কবার্তা নেই—আরও জমজমাট হবে পর্যটন মরশুম
হাওয়া অফিস বলছে, আগামী কয়েকদিন উত্তর–দক্ষিণ দুই বঙ্গেই শুষ্ক আবহাওয়া স্থায়ী।তাই বৃষ্টি বা তুষারপাতের মতো কোনো সতর্কতা নেই। ফলে পর্যটন মৌসুম এখন পুরো দমে চলছে। দার্জিলিং–সিকিম রুটে গাড়ির চাপ বাড়ছে, হোটেলে আগাম বুকিং প্রায় ফুল।
দক্ষিণবঙ্গেও হু-হু করে নামছে পারদ
কলকাতাসহ বিভিন্ন জেলায় সকালের কুয়াশা বাড়ছে, ঠান্ডায় বিপাকে মানুষ।ভোরের দিকে রাস্তা প্রায় সাদা হয়ে যাচ্ছে ঘন কুয়াশায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে দক্ষিণবঙ্গে আরও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ নামতে পারে। উত্তরবঙ্গের ঠান্ডা বাতাস সোজা সমতলে নেমে আসায় কলকাতার তাপমাত্রাও দ্রুত নামছে।
উত্তরবঙ্গজুড়ে তাপমাত্রা দ্রুত নামছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারসহ পাহাড়–সমতলে কুয়াশার দাপট বাড়ছে। সকাল থেকে দৃশ্যমানতা কম, তবে বেলা বাড়লে মিলছে ঝকঝকে রোদ। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামী কয়েকদিন দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গে শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে।












