পাকিস্তানে চাঞ্চল্যকর ঘটনা—ইদের নামাজ শেষ হতেই রক্তাক্ত পরিণতি। জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবা-র কমান্ডার বিলাল আরিফ সারাফি-কে প্রথমে ছুরি দিয়ে আঘাত, তারপর গুলি করে খুন করা হয়। ঘটনাটি ঘটেছে মুরিদকে এলাকায়, যা লাহোর-এর উপকণ্ঠে অবস্থিত।
![]()
ইদের পরেই রক্তাক্ত পরিণতি—পরিবারের হাতেই মৃত্যু
ইদের নামাজ শেষ করে বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই হামলার শিকার হন সারাফি। অভিযোগ, পরিবারের সদস্যরাই প্রথমে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন এবং পরে গুলি চালিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
মুরিদকে—জঙ্গি ঘাঁটির কাছেই এই ঘটনা
ঘটনাস্থল মুরিদকে দীর্ঘদিন ধরেই লস্কর-ই-তৈবা-র ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এখানেই ছিল সংগঠনের একসময়ের সদর দফতর। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় ভারতীয় বাহিনী এই এলাকায় অভিযান চালিয়েছিল বলে জানা যায়।
![]()
খুনের কারণ রহস্যে ঢাকা—পারিবারিক বিবাদের ইঙ্গিত
এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। তবে গোয়েন্দা সূত্রে প্রাথমিকভাবে পারিবারিক বিবাদের সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর।
কে ছিলেন বিলাল আরিফ সারাফি?
বিলাল আরিফ সারাফি ২০০৫ সাল থেকে লস্কর-ই-তৈবা-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সংগঠনের জন্য তহবিল সংগ্রহ, অস্ত্র জোগাড় এবং নতুন সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন। ‘তৈবা কলোনি’-তে অন্যান্য শীর্ষ জঙ্গি নেতাদের সঙ্গে বসবাস করতেন তিনি।
![]()
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে জল্পনা—সত্যতা যাচাই হয়নি
ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে বলে দাবি। সেখানে সারাফির রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে বলে বলা হলেও, ওই ভিডিওগুলির সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
![]()
ইদের নামাজের পরই ভয়াবহ খুন। লস্কর-ই-তৈবা-র কমান্ডার বিলাল আরিফ সারাফি নিজের পরিবারের সদস্যদের হাতেই নৃশংসভাবে খুন হয়েছেন। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাকিস্তানে।










