বিশ্বায়নের যুগেও নিজের ভাষা, সংস্কৃতি ও শিকড়কে আঁকড়ে ধরার প্রয়োজনীয়তার কথা ফের একবার মনে করিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যুবসমাজের উদ্দেশে তাঁর বার্তা—আধুনিকতার সঙ্গে এগিয়ে গেলেও নিজেদের শিকড় ভুলে গেলে চলবে না।
বিশ্বজুড়েই শিকড়ে ফেরার প্রবণতা, দাবি প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, আজ শুধু দেশের ভিতরেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসকারী ভারতীয়দের মধ্যেও নিজেদের সাংস্কৃতিক পরিচয়ে ফিরে যাওয়ার প্রবণতা স্পষ্ট। প্রবাসে থেকেও ভাষা ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখার চেষ্টা করছেন বহু ভারতীয় পরিবার।
দুবাইয়ের কন্নড় পাঠশালার উদাহরণ টানলেন মোদী
এই প্রসঙ্গে দুবাইয়ে বসবাসকারী প্রবাসী কন্নড়বাসীদের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, সেখানে কন্নড় ভাষাভাষীরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন—তাঁদের সন্তানরা যেন নিজের মাতৃভাষা ও সাংস্কৃতিক শিকড় ভুলে না যায়। সেই লক্ষ্যেই শুরু হয়েছে কন্নড় পাঠশালা।
ভাষা ও সংস্কৃতিই পরিচয়ের ভিত্তি
মোদীর মতে, ভাষা ও সংস্কৃতি কেবল যোগাযোগের মাধ্যম নয়, এগুলিই একটি জাতির পরিচয়ের মূল ভিত্তি। যুবসমাজ যদি নিজের শিকড়ের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখে, তবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও আত্মবিশ্বাসী ও মূল্যবোধসম্পন্ন হয়ে উঠবে।
যুবসমাজের ভূমিকার উপর জোর
প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব যুবসমাজেরই। প্রযুক্তি ও আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে ঐতিহ্যগত জ্ঞান ও ভাষাচর্চার প্রতিও সমান গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
যুবসমাজকে নিজের ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যুক্ত থাকার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর দাবি, শুধু ভারতে নয়, বিশ্বজুড়েই ভারতীয়রা নতুন করে নিজেদের শিকড়ে ফিরে তাকাচ্ছেন। দুবাইয়ের প্রবাসী কন্নড়বাসীদের উদ্যোগের উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি।











