বলিউডে বহু তারকাসন্তান নিজেদের পারিবারিক পরিচয়ের জন্য পরিচিত হলেও Prateik Patil এবার বেছে নিলেন এক ভিন্ন পথ। সম্প্রতি তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর বাবার পদবী ব্যবহার করবেন না। নিজের পরিচয়ে স্থায়ীভাবে জুড়ে নিতে চান মা Smita Patil-এর নাম ও উত্তরাধিকার। এই ঘোষণার পর থেকেই নতুন করে আলোচনায় অভিনেতার ব্যক্তিগত জীবন।
মায়ের স্মৃতিতেই নতুন অধ্যায়
সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মা Smita Patil-এর একটি পুরনো ছবি শেয়ার করেন প্রতীক। সেই পোস্ট মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। ভক্তদের একাংশের মতে, শুধুমাত্র আবেগ নয়, এটি মায়ের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধার বহিঃপ্রকাশ। অভিনেতা নিজেও জানান, তিনি তাঁর মায়ের নাম এবং ঐতিহ্যের সঙ্গেই সম্পূর্ণভাবে যুক্ত থাকতে চান।
বাবার পদবী ত্যাগের সিদ্ধান্তে জোর চর্চা
Prateik Patil-এর এই সিদ্ধান্ত নতুন করে আলোচনায় এনে দিয়েছে তাঁর পারিবারিক সম্পর্কের সমীকরণ। দীর্ঘদিন ধরেই অভিনেতার সঙ্গে বাবা Raj Babbar-এর দূরত্ব নিয়ে নানা জল্পনা ছিল। এমনকি নিজের বিয়েতেও পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে আমন্ত্রণ জানাননি তিনি। এরপর থেকেই ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে চর্চা আরও বাড়ে।
‘একদিন সবাই সত্যিটা জানবে’
এক সাক্ষাৎকারে প্রতীক ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে বলেন, মানুষের সামনে এখনও পুরো সত্যিটা আসেনি। তাঁর কথায়, “একদিন সবাই সত্যটা জানবে—সেটা বই, সিনেমা বা সাক্ষাৎকার যেভাবেই হোক।” এই মন্তব্য ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। যদিও পুরো বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি অভিনেতা।
পাশে স্ত্রী প্রিয়া
প্রতীকের স্ত্রী Priya Banerjee-ও জানিয়েছেন, জীবনের নানা কঠিন পরিস্থিতি তাঁদের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে। তাঁর মতে, প্রতিটি সমস্যার মুখোমুখি হয়েও তাঁরা কখনও ভেঙে পড়েননি। বরং একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতির মোকাবিলা করেছেন। গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই জুটি।
স্মিতা পাটিলের উত্তরাধিকার বাঁচিয়ে রাখার অঙ্গীকার
Prateik Patil স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি তাঁর মায়ের মতো মানুষ হতে চান। তাঁর বিশ্বাস, Smita Patil-এর নাম ও ঐতিহ্য অক্ষুণ্ণ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নতুন এই পরিচয়কে তিনি নিজের জীবনের ‘নতুন অধ্যায়’ বলেই উল্লেখ করেছেন।
বলিউড অভিনেতা Prateik Patil এবার নিজের নামের সঙ্গে জুড়ে নিলেন মা Smita Patil-এর পদবী। বাবার পদবী ‘বাব্বর’ ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি জানান, মায়ের ঐতিহ্য ও স্মৃতিকেই জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রাখতে চান। এই আবেগঘন সিদ্ধান্ত ঘিরে এখন নেটদুনিয়ায় জোর চর্চা।









