প্রয়াগরাজে আইটিআই ছাত্র হত্যা মামলায় পলাতক প্রধান অভিযুক্তকে এনকাউন্টারের পর গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, থামার নির্দেশ দেওয়া হলে অভিযুক্ত গুলি চালাতে শুরু করে। পাল্টা অভিযানে তার পায়ে গুলি লাগে।
জানা গেছে, ১০ মে অভিযুক্ত ওই ছাত্রকে গুলি করে হত্যা করেছিল। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানায় নিহতের পরিবার।
পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, গভীর রাতে চেকিং অভিযানের সময় সন্দেহভাজন যুবককে থামার ইঙ্গিত দেওয়া হয়। তবে সে মোটরসাইকেলে পালানোর চেষ্টা করে। ধাওয়া করলে অভিযুক্ত পুলিশ দলের ওপর গুলি চালায়।
প্রয়াগরাজ পুলিশ পাল্টা পদক্ষেপ নিয়ে অভিযুক্তকে আহত অবস্থায় গ্রেফতার করে। তার কাছ থেকে অবৈধ দেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।
আহত অভিযুক্তকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যার কারণ এবং তার সহযোগীদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছে।
নিহত ছাত্রের পরিবার অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, ছেলের হত্যার পর পুরো পরিবার ভেঙে পড়েছিল।
উত্তর প্রদেশে বাড়তে থাকা গুলিবর্ষণ ও ছাত্র অপরাধের ঘটনাকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে। পুলিশের বক্তব্য, অপরাধীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়দের দাবি, এনকাউন্টারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় মানুষের ভিড় জমে যায়। অনেকেই পুলিশের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা চলছে। মানুষ ছাত্রটির জন্য বিচার এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছেন।
প্রয়াগরাজ পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চালাচ্ছে। কর্মকর্তাদের দাবি, পুরো ঘটনার শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবকদের মধ্যে বাড়তে থাকা সহিংস ঘটনা সমাজের জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ এবং সামাজিক সচেতনতা দুটিই প্রয়োজন।
বর্তমানে অভিযুক্ত পুলিশি নজরদারিতে রয়েছে এবং মামলায় পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলছে।










